হেফাজত মহাসচিব নূর হোসাইন কাসেমীর জানাজা সম্পন্ন - Metronews24 হেফাজত মহাসচিব নূর হোসাইন কাসেমীর জানাজা সম্পন্ন - Metronews24

হেফাজত মহাসচিব নূর হোসাইন কাসেমীর জানাজা সম্পন্ন

Hefazat Secretary General Nur Hossain Kasemi janaza has been completed

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব ,বেফাকের সহ-সভাপতি ও আল হাইআতুল উলয়া বোর্ডের কো-চেয়ারম্যান আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমীর জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। এতে ইমামতি করেছেন তার ছোট ছেলে মুফতি জাবের কাসেমী।

সোমবার সকাল ৯টা ২০ মিনিটে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এতে দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেমরা ও রাজনীতিবিদরা অংশ নেন। আশুলিয়া বেড়িবাঁধ সংলগ্ন ধউর গ্রামে অবস্থিত সুবহানিয়া মাদরাসায় তাকে দাফন করা হবে।

জানাজা উপলক্ষে বায়তুল মোকাররম এলাকায় বিপুল সংখ্যক আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়। হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমীর জানাজায় অংশ নিতে মানুষের ঢল নামে। ভোরেই লোকে লোকারণ্য হয়ে যায় বায়তুল মোকাররম এলাকা। ফজরের নামাজে অংশ নেন বিপুল সংখ্যক মুসল্লি।

জানাজার আগে সংক্ষিপ্ত বয়ান করেন আল্লামা কাসেমীর হাতেগড়া প্রতিষ্ঠান জামিয়া বারিধারার ভারপ্রাপ্ত মুহতামিম মাওলানা নাজমুল হাসান, নিজ দল জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল্লামা জিয়াউদ্দিন, হেফাজতের পক্ষ থেকে আমিরে হেফাজত আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী, কওমি শিক্ষা বোর্ড বেফাক ও আল-হাইআর পক্ষ থেকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল্লামা মাহমুদুল হাসান ও পরিবারের পক্ষ থেকে  আল্লামা কাসেমীর ছোট ভাই মাওলানা আবদুল কুদ্দুস। তারা স্মৃতিচারণ করে আল্লামা কাসেমীর কর্মবহুল জীবনের নানাদিক নিয়ে কথা বলেন।

গত ১ ডিসেম্বর শ্বাসকষ্ট হওয়ায় বর্ষীয়ান এ আলেমকে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বৃহস্পতিবার রাতে হঠাৎ শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়।

আরও পড়ুনঃ হেফাজত মহাসচিব আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী আর নেই

রবিবার দুপুর সোয়া ১টার দিকে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্য হয়। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ২ ছেলে ও ২ মেয়েসহ বহু আত্মীয়-স্বজন, ভক্ত ও ছাত্র রেখে গেছেন।

১৯৪৫ সালের ১০ জানুয়ারী কুমিল্লা জেলার মনোহরগঞ্জ থানার চড্ডা নামক গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।

Sex is always in the name of friendship

বহু প্রজাতির "জীব সম্প্রদায়" আছে সে

graphology

পড়েই বুঝে ফেলল আপনার পার্সোনালিটি সম্পর্কে। কি চমকে গেলেন? সে  কিভাবে বুঝলো? ভাবছেন ,সে শার্লক হোমসগোছের কেউ?  নাহ্.. এর জন্য শার্লক হোমস হওয়ার প্রয়োজন নেই। হাতের লেখার মাধ্যমে একজন মানুষের ব্যক্তিত্ব সম্পর্কেঅনেকাংশে ধারণা করা যায়।  হাতের লেখা নিয়ে গবেষণার এই ক্ষেত্রটি  গ্রাফোলজি/ গ্রাফোঅ্যানালাইসিস নামে পরিচিত। এরসাধ্যমে একজন মানুষের হাতের লেখা দিয়ে লেখকের ব্যক্তিত্ব এবং লেখার সময়ে ঐ লেখকের মানসিক অবস্থা সম্পর্কে ধারণাকরা সম্ভব।গ্রাফোলজি হলো বিশ্লেষণমূলক একটা বিষয় সেখানে দেখা হয় লেখার মূহুর্ত পর্যন্ত ব্যক্তির অবস্থাঃ কিভাবে চিন্তাকরে, অনুভব করে এবং আচরণ করে নিজ ও অন্যের সাথে। হাতের লেখা লেখকের  সত্যিকারের পরিচয় বা ব্যক্তিত্ব  ফুটে তুলে।আমরা যা লিখি তা আমাদের সচেতন মন থেকে হয় কিন্তু যেই পদ্ধতিতে বা যেইভাবে  লিখি সেটা আমাদের অচেতন মন এরবিষয় ফুটিয়ে তুলে। গ্রাফোলজির ব্যবহারঃ   নিজেকে বোঝা,একটি জীবন সঙ্গী নির্বাচন  ,শিশুর উন্নয়ন/ বিকাশ,ব্যবসায়িক অংশীদার নির্বাচন করা,কর্মচারী নিয়োগ,ম্যানেজমেন্ট নির্বাচন,কর্পোরেট প্রশিক্ষণ,নথিপরীক্ষা এবং ফরেনসিক বিশ্লেষণ সুরক্ষা যাচাই করা এবং সততা ও নিষ্ঠার মূল্যায়ন।

dog

ছেলের সঙ্গে প্রায়ই ঝগড়া লেগে থাকত।

Hefazat Secretary General Nur Hossain Kasemi janaza has been completed

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব ,বেফাকের সহ-সভাপতি