স্মৃতিময় ক্যাম্পাস জীবন পরিপূর্ণতায় জবির রসায়ন চৌদ্দ

Amrito Workdone

স্বপ্ন ছুঁতে পারার আনন্দ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর অনন্য প্রাপ্তি ক্যাম্পাসের বন্ধুগুলা।এক একজন এক এক জেলার।ভাষার মাঝে আছে ভিন্নতা।

ভালো কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে কলেজ জীবন পাশ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের গন্ডিতে পা রাখতেই যারা প্রথম সঙ্গী হয়, তাদেরকে আপন করে নিয়েই হয় পাঁচটি বছর একসাথে চলার অঙ্গীকার।
জীবনের যতটুকু পেছনে ফেলে আসা না বোঝা, না জানা আর ছেলে মানুষীতে কাটানো। প্রাপ্তবয়স্কের প্রথম ধাপেই শুরু হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের জীবন।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের ১৪ তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের জীবনের গল্পটাও অনেকটা এক রকম।গুটি গুটি পায় স্কুল, কলেজ শেষ করে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে পদার্পণ।নতুন সব মুখ,নতুন নতুন বন্ধু -বান্ধবী,
পি.এইচ.ডি. করা বিভিন্ন ক্ষেত্রের শিক্ষকবৃন্দ সহ রসায়ন পরিবারে আগমন ঘটে প্রথম বর্ষে তাদের। শুরুতেই নবীনবরণ, ডিপার্টমেন্টের বনভোজন সহ নানা কার্যক্রমে মেলবন্ধন ঘটে দারুন। পাশাপাশি ক্যাম্পাস জীবনের স্মৃতি বিজরিত কিছু দিনের কথা বললেও সেখানের সূচিপত্রও বেশ ছোট হবে না।

সদরঘাটের অনন্য প্রতিষ্ঠান জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এর শিক্ষার্থীদের অন্যতম ঘুরতে যাওয়া কিংবা একত্রিত হওয়ার জায়গা হিসেবে আহসান মঞ্জিল এর কথা তো বলপ শেষ করা যাবে না।
তার পাশাপাশি আছে বাংলা বাজারে অবস্থিত বিউটি বোর্ডিং।সদরঘাটে বরিশালগামী লঞ্চগুলোর ছাদ যে রোজকার আড্ডার দেওয়ার এক অন্যতম জায়গা। কারো জন্মদুন কিংবা যে কোনো সেলিব্রেশন ই হোক না কেন ছোট্ট ক্যাম্পাসের চেয়ে ঐ স্থানগুলো বেশ উপভোগ করার মতো।

এই সবগুলোর কোনোটার উপভোগ্যতায় বাদ যায় নি রসায়ন বিভাগের ১৪ তম ব্যাচের শিক্ষার্থীরা।তাছাড়াও সোনারগাঁওয়ে জাদুঘর আর পানাম সিটি ঘুরতে যাওয়া।

মিরপুর চিড়িয়াখানা, জাতীয় বোটানিক্যাল গার্ডেন সহ বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে যাওয়া এক মেলবন্ধনের নাম।অসাধারণ কিছু মুহূর্তের মিলনে যেন স্মৃতির ভান্ডারে পরিপূর্ণ করতে চাওয়া দিনগুলো জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের চৌদ্দ তম ব্যাচের এক অনন্য শোভা।

বর্তামানে করোনাকালীন পরিস্থিতিতে যদিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বদৌলতে যোগাযোগের অন্তর্ভুক্ত সকলেই। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির কারণে দেখা যায় ঘোরাঘুরি আড্ডা দেয়া কিংবা বিশেষ কোন দিন পালন করার সুযোগ হচ্ছে না।

তবু এই পরিস্থিতি কাটিয়ে দেশ সুস্থ অবস্থায় ফিরে আসবে সেই প্রত্যাশা ব্যক্ত করছে রসায়ন বিভাগের ১৪ তম ব্যাচ।

আবারো হবে সেই মেলবন্ধন আবার হবে মিলন মেলা এবং হবে হাজারো জায়গায় ঘুরতে যাওয়া।মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে সকলের জন্য প্রার্থনা এবং সকলের সুস্থতা কামনা করেই স্মৃতির পরিপূর্ণতায় সকলের ভালো থাকা হোক।
অমৃত রায়, জবি প্রতিনিধি