সোহেল চৌধুরীর পরিচিতজনদের খুঁজছে মেয়ে লামিয়া

Lamia Chowdhury

আশি ও নব্বই দশকের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী। অভিনয় ক্যারিয়ারে খুব বেশি সিনেমা অভিনয় করেননি তিনি। কিন্তু স্বল্প সংখ্যক কাজ করে দর্শক হৃদয়ে জায়গা করে নেন এই অভিনেতা।

১৯৮৬ সালে সোহেল চৌধুরী তার সহ-অভিনেত্রী দিতির সঙ্গে ঘর বাঁধেন। লামিয়া চৌধুরী ও দীপ্ত চৌধুরী নামে এ দম্পতির দুটি সন্তান রয়েছেন। নব্বই দশকের মাঝামাঝি সময়ে এ তারকা দম্পতির বিচ্ছেদ ঘটে। তারপর দিতির কাছে বড় হতে থাকে লামিয়া-দীপ্ত।

১৯৯৮ সালের ১৮ ডিসেম্বর নগরীর বনানীর ১৭ নম্বর রোডের আবেদীন টাওয়ারে ট্রাম্পস ক্লাবের নিচে সোহেল চৌধুরীকে গুলি করে হত্যা করা হয়। মাস দুয়েক পরেই এ অভিনেতার জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী।

বাবার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে কন্যা লামিয়া কেক বানানোর পরিকল্পনা করেছেন, যে কেক সোহেল চৌধুরী পছন্দ করতেন! কিন্তু কোন জাতীয় কেক সোহেল চৌধুরী পছন্দ করতেন তা সঠিক জানেন না। এজন্য যারা সোহেল চৌধুরীকে জানতেন এমন কাউকে খুঁজছেন লামিয়া।

লামিয়া তার ফেসবুকে লিখেছেন—আমি এমন কাউকে খুঁজছি যে আমার বাবাকে জানতেন। তার জন্মদিন আসছে। তাকে স্মরণ করে আমি একটি কেক তৈরি করতে চাই।

যার স্বাদ ব্যক্তিগতভাবে নিতে চাই। মধুর সময়ে বাবা মিষ্টি জাতীয় জিনিস পছন্দ করতেন কি করতেন না সে বিষয়ে কিছুই জানি না।

সোহেল চৌধুরীর সঙ্গে লামিয়ার দুটি স্মৃতি উল্লেখ করে লিখেন—বাবার সঙ্গে আমার মিষ্টি জাতীয় খাবারের দুটি স্মৃতি রয়েছে। তার একটি হলো—যখন বাবা আমাকে তার বন্ধুর বাসায় নিয়ে যেতেন, তখন এক গ্লাস সবুজ রসনা পান করতে দিতেন।

আরেকটি হলো—স্কুল শেষে যখন তার বাসায় গিয়েছি তখন হার্শির চকোলেট সিরাপ, স্ট্রবেরি সিরাপের সঙ্গে ভ্যানিলা আইসক্রিম খেতে দিতেন। সত্যি বলতে হার্শের সিরাপ দিয়ে রসনা কেক বানাতে চাই না।

সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে লামিয়া লিখেন—আপনি যদি তাকে ব্যক্তিগতভাবে জানেন। তার সঙ্গে ভ্রমণ করে থাকেন, একসঙ্গে খেয়ে থাকেন, সময় কাটিয়ে থাকেন ইত্যাদি। তিনি যা খেতে পছন্দ করতেন তার কোনো স্মৃতি যদি থাকে তবে দয়া করে আমাকে জানান।

আরও পড়ুনঃ ‘পটাকা’র পর নুসরাতের ‘আমি চাই থাকতে'(ভিডিও)

আমি জানি তার অনেক বন্ধু এবং পরিচিতজন আমাকে অনুসরণ করেন। মাঝে মাঝে তার সম্পর্কে মজাদার তথ্য দিয়ে থাকেন। এছাড়া আত্মীয়-স্বজন যারা আমার তালিকায় রয়েছেন তারাও জানাতে পারেন। আমাকে সহযোগিতা করুন।