সেই ভাষণের পূর্বে পুতিনের কাশি বুকে ব্যথা ছিল Russian President Vladimir Putin Survives Assassination Attempt

সেই ভাষণের পূর্বে পুতিনের কাশি-বুকে ব্যথা ছিল

Generic placeholder image
  Ashfak

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বুধবার টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর প্রথমবারের মতো সেনা সমাবেশের ঘোষণা দিয়েছেন একইসঙ্গে ইউক্রেনের দখলকৃত অঞ্চলগুলো রাশিয়ার সঙ্গে একীভূত করার জন্য গণভোটের পরিকল্পনাকে সমর্থনও করেছেন তিনি

তবে টেলিভিশনে ওই ভাষণ রেকর্ড করার পূর্বে  পুতিন কাশি বুকের ব্যথায় ভুগছিলেন বলে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম মিরর এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে

মিররের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পুতিনের ওই শারীরিক অবস্থার কারণে এক পর্যায়ে চিকিৎসকদের তলব করা হয় এই কারণে তার বক্তব্য রেকর্ডে ১৩ ঘণ্টা দেরি  হয় বলে মিররের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে

পুতিনের ভাষণ রেকর্ডিং শুরু হওয়ার আগেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন তার বক্তব্য রেকর্ডে দেরি হওয়ার বিষয়টি টেলিগ্রাম চ্যানেল জেনারেল এসভিআরের আপডেটে জানা গেছে

জেনারেল এসভিআর টেলিগ্রামে দেওয়া ওই পোস্টে জানিয়েছে, যখন প্রেসিডেন্ট এসে ভাষণ রেকর্ড করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তখনই তার ক্রমাগত কাশি শুরু হয় বেশ কয়েকবার রেকর্ড শুরু করতে গেলেও কাশির কারণে তা ভেস্তে যায় রেকর্ডের চেষ্টা চতুর্থবারের মতো ভেস্তে যাওয়ার পর চিকিৎসকদের ডাকা হয় তাদের কাছে পুতিন বুকের ব্যথার কথা জানান

মূলত মঙ্গলবার ভাষণটি রেকর্ড করার কথা ছিল পুতিনের তবে কোনো ব্যাখ্যা ছাড়াই তা বিলম্বিত হয় ৬৯ বছর বয়সী পুতিন অবশেষে বুধবার বক্তব্যটি রেকর্ড করেন

প্রসঙ্গত, স্থানীয় সময় বুধবার ভোরে টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে পুতিন পশ্চিমা দেশগুলোর প্রতি হুমকি দিয়ে বলেন, আমাদের দেশের আঞ্চলিক অখণ্ডতা যদি হুমকির মধ্যে পড়ে, রাশিয়া এবং এর জনগণকে রক্ষা করার জন্য আমরা সবরকমের পদক্ষেপ নেব এটা কোনো ধাপ্পাবাজি নয় বলেও সতর্ক করেন তিনি

সময় পুতিন রাশিয়ার ২০ লাখ জনবল সম্পন্ন সামরিক রিজার্ভের আংশিক সমাবেশের ঘোষণা দেন রাশিয়া এবং নিজের অঞ্চলগুলোকে রক্ষা করার জন্য এই ঘোষণা দেন তিনি

আরও পড়ুনঃ হিজাব পুড়িয়ে বিক্ষোভ করছে ইরানের নারীরা

নির্দেশনার ফলে যারা কোনো একসময় রুশ সেনাবাহিনীতে কাজ করেছেন বা প্রশিক্ষণ নিয়েছেন ভবিষ্যতে যে কোনো প্রয়োজনে সেনাবাহিনীর জন্য সেই সব সংরক্ষিত সৈন্যদের এখন যুদ্ধ করার জন্য ডেকে পাঠানো হবে

ভ্লাদিমির পুতিন ভাষণে বলেছেন, রাশিয়ার মাতৃভূমি, সার্বভৌমত্ব, আঞ্চলিক অখণ্ডতা আর জনগণের নিরাপত্তা রক্ষা করার তিনি সৈন্য সমাবেশের নির্দেশ দিয়েছেন বুধবার থেকেই সেনা সমাবেশ শুরু হয়ে যাবে

তিনি বলেন, যারা পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ে আমাদের ব্ল্যাকমেইল করতে চায়, তাদের জানা উচিত যে, পাল্টা বাতাস তাদের দিকেও যেতে পারে

তিনি অভিযোগ করেন, পশ্চিমা দেশগুলো প্রমাণ করেছে যে, তারা চায় না রাশিয়া আর ইউক্রেনের মধ্যে শান্তি বজায় থাকুক

এমন সময়ে পুতিন ভাষণটি দিলেন, যখন মস্কো পূর্ব এবং দক্ষিণে ইউক্রেনের ভূখণ্ডের ওপর তার দখলকে সুসংহত করতে শুরু করেছে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে রাশিয়ায় যোগদানের জন্য ইউক্রেনের মুক্ত এলাকাগুলোতে গণভোট আয়োজনের পরিকল্পনা করছে

মন্তব্য করুন হিসাবে:

মন্তব্য করুন (0)