সন্তানসহ কি অন্য ছেলের ঘরে স্ত্রী?স্বামী পাগলপ্রায়! - Metronews24 সন্তানসহ কি অন্য ছেলের ঘরে স্ত্রী?স্বামী পাগলপ্রায়! - Metronews24

সন্তানসহ কি অন্য ছেলের ঘরে স্ত্রী?স্বামী পাগলপ্রায়!

Pia Begum with child

খুলনার ডুমুরিয়ায় সন্তানসহ পিয়া বেগম (২৮) নামে এক নারী নিখোঁজ হয়েছে। ১৬ দিনেও তাদের কোনো সন্ধান না পেয়ে ওই নারীর স্বামীর  পাগলপ্রায় অবস্থা।

এ ঘটনায় ২২ ফেব্রুয়ারি স্বামী আজহারুল ইসলাম (৩৮) বাদী হয়ে ডুমুরিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

ওই অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘গত ১৮ ফেব্রুয়ারি সকালে পৌনে ৯টায় স্ত্রী পিয়া বেগম একমাত্র কন্যা আস্থা খাতুনকে নিয়ে বাড়ির পাশে স্কুলের উদ্দেশে যায়।

পরবর্তীতে তার মেয়ে ও স্ত্রী আর বাড়ি ফেরেনি। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তাদের কোনো সন্ধান পাননি। এক পর্যায়ে তিনি গোপনে জানতে পেরেছেন ডুমুরিয়া বড় বাজার এলাকার শাহাজান শেখের ছেলে সাকিব তার স্ত্রী ও মেয়েকে অসৎ উদ্দেশ্যে কোথাও নিয়ে গেছে।’

আজহারুল ইসলাম বলেন, গত ১৮ তারিখে আমার স্ত্রী ও মেয়ে হরিয়ে যায়। ওই দিন থেকেই আমাদের বাড়ি থেকে আধা কিলোমিটার দূরের বাসিন্দা সাকিবও নিখোঁজ হয়। তাই আমাদের সন্দেহ হয়।

পরবর্তীতে আমারা জানতে পেরেছি আমার স্ত্রী ও কন্যাকে সাকিবই নিয়ে গেছে। আমাদের সন্দেহ হচ্ছে হয়তো সাকিব মিথ্যা কথা বলে তাদের কোথাও জোরপূর্বক আটকে রেখেছে। আমি আমার স্ত্রী ও সন্তানের জীবন নিয়ে সঙ্কায় আছি।

তিনি আরও বলেন, আমার স্ত্রী অত্যন্ত পর্দানশীল। তিনি কোনো ছেলের সঙ্গে অসৎ উদ্দেশ্যে কোথাও যেতে পারেন না। তাই আমি তাদের উদ্ধারের জন্য থানায় মামলা করতে চাচ্ছি। তবে পুলিশ আমার কাছে ৩ মার্চ পর্যন্ত সময় চেয়েছিল। তাই শুধু অভিযোগ দায়ের করতে পেরেছি।

আরও পড়ুনঃস্বামীকে পছন্দ না,ক্ষুদ্ধ নববধূর কান্ড!

এ ব্যাপারে ডুমুরিয়া থানার ওসি আমিনুল ইসলাম বিপ্লব বলেন, এ বিষয়ে অভিযোগ পাওয়ার পর আমারা ঊধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলাপ করেছি। আজ মামলা নেয়ার সিদ্ধান্ত পেয়েছি। এখন মামলা নিতে পারব।

এদিকে সাকিবের বাবা মো. শাহাজান আলী শেখ পাল্টা অভিযোগ তুলে গত রোববার (১ মার্চ) আদালতে মামলা করেছেন। সেখানে আজহারুল ইসলাম ও তার স্ত্রী পিয়া বেগমকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

Saifuzzaman Revolution

অবশেষে ছেলে সন্তানের বাবা হলেন মেডিকেল

Sex is always in the name of friendship

বহু প্রজাতির "জীব সম্প্রদায়" আছে সে

graphology

পড়েই বুঝে ফেলল আপনার পার্সোনালিটি সম্পর্কে। কি চমকে গেলেন? সে  কিভাবে বুঝলো? ভাবছেন ,সে শার্লক হোমসগোছের কেউ?  নাহ্.. এর জন্য শার্লক হোমস হওয়ার প্রয়োজন নেই। হাতের লেখার মাধ্যমে একজন মানুষের ব্যক্তিত্ব সম্পর্কেঅনেকাংশে ধারণা করা যায়।  হাতের লেখা নিয়ে গবেষণার এই ক্ষেত্রটি  গ্রাফোলজি/ গ্রাফোঅ্যানালাইসিস নামে পরিচিত। এরসাধ্যমে একজন মানুষের হাতের লেখা দিয়ে লেখকের ব্যক্তিত্ব এবং লেখার সময়ে ঐ লেখকের মানসিক অবস্থা সম্পর্কে ধারণাকরা সম্ভব।গ্রাফোলজি হলো বিশ্লেষণমূলক একটা বিষয় সেখানে দেখা হয় লেখার মূহুর্ত পর্যন্ত ব্যক্তির অবস্থাঃ কিভাবে চিন্তাকরে, অনুভব করে এবং আচরণ করে নিজ ও অন্যের সাথে। হাতের লেখা লেখকের  সত্যিকারের পরিচয় বা ব্যক্তিত্ব  ফুটে তুলে।আমরা যা লিখি তা আমাদের সচেতন মন থেকে হয় কিন্তু যেই পদ্ধতিতে বা যেইভাবে  লিখি সেটা আমাদের অচেতন মন এরবিষয় ফুটিয়ে তুলে। গ্রাফোলজির ব্যবহারঃ   নিজেকে বোঝা,একটি জীবন সঙ্গী নির্বাচন  ,শিশুর উন্নয়ন/ বিকাশ,ব্যবসায়িক অংশীদার নির্বাচন করা,কর্মচারী নিয়োগ,ম্যানেজমেন্ট নির্বাচন,কর্পোরেট প্রশিক্ষণ,নথিপরীক্ষা এবং ফরেনসিক বিশ্লেষণ সুরক্ষা যাচাই করা এবং সততা ও নিষ্ঠার মূল্যায়ন।

dog

ছেলের সঙ্গে প্রায়ই ঝগড়া লেগে থাকত।