রাঙ্গাবালীতে তরমুজের বাম্পার ফলন কৃষকের মুখে হাসি

Rangabali news

দেশের মানচিত্রে সর্বদক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের কোলঘেঁষে অবস্থিত পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলা। দুর্গম এ উপজেলাটি সুমিষ্ট তরমুজ চাষে বেশ পরিচিতি রয়েছে।

যার ফলে দেশের বিভিন্ন তরমুজের আড়তে এখানকার তরমুজের বেশ চাহিদা রয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হওয়ায় এ মৌসুমে তরমুজের বাম্পার ফলন হয়েছে। বাজারে চড়া মূল্যে বিক্রি হলে লাভবান হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন তাঁরা ।
কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরে উপজেলার ৬ ইউনিয়নে ৭ হাজার ৬৩০ হেক্টর জমিতে তরমুজের আবাদ হয়েছে। যা গতবছরের তুলনায় ৭০ হেক্টর বেশি।
চর-ইমারশন গ্রামের তরমুজ চাষি মিথেল হাওলাদার বলেন, গতবছরে ২ কানি জমিতে তরমুজ চাষ করেছি। আবহাওয়া অনুকূলে না থাকায় ২ লক্ষ টাকা লোকশান দিতে হয়েছে। পূর্বের লোকশান মেটাতে এবছরেও তরমুজ চাষ করেছি। আলহামদুলিল্লাহ ফলন ভাল হয়েছে। বাজারদর ভাল পেলে লাভবান হবো বলে আশা রাখি।
গাববুনিয়া গ্রামের তরমুজ চাষি মিরাজ হাওলাদার বলেন, এ বছর ৪ কানি জমিতে তরমুজের আবাদ করেছি। সব মিলিয়ে খরচ হয়েছে ৮ লাখ টাকা। পোকা কারণে আমার অনেক চারা মরে গেছে। এখন যে তরমুজ আছে চরা মূল্যে বিক্রি করলে লাভবান হবো।
স্থানীয়রা বলেছেন, এ বছর বৃষ্টি হয়নি। তরমুজ চাষিদের উপর আল্লাহ সহয়ায় থাকায় তরমুজের বাম্পার ফলন হয়েছে। প্রাপ্যমূল্যে তরমুজ বিক্রি করে লাভবান হবে চাষিরা।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, তরমুজ আবাদে রাঙ্গাবালী জমি উপযোগী। এ কারণে ফলন ভালো হওয়ায় চাষিদের তরমুজ চাষে আগ্রহ বাড়ছে। যারা আগাম তরমুজ চাষ করেছে তারা ভালো ফলন ও চরা মূল্যে বিক্রি করেছে।

মাহমুদ হাসান,রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী)