রক্তাক্ত আনুশকাকে সোফায় শুইয়ে থাকতে দেখে দারোয়ান - Metronews24 রক্তাক্ত আনুশকাকে সোফায় শুইয়ে থাকতে দেখে দারোয়ান - Metronews24

রক্তাক্ত আনুশকাকে সোফায় শুইয়ে থাকতে দেখে দারোয়ান

annushka

রাজধাানীর কলাবাগানে মাস্টারমাইন্ড স্কুলের  লেভেলের শিক্ষার্থী আনুশকা নূর আমিনকে ধর্ষণ খুনের দায়ে অভিযুক্ত ইফতেখার ফারদিন দিহানের বাসার দারোয়ান দুলাল আদালতে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছে মঙ্গলবার (১২ জানুয়ারি) তাকে আদালতে নেয়া হয়

কলাবাগান থানার পরিদর্শক (অপারেশন) ঠাকুর দাস বলেন, দুলাল এই মামলার আসামি নন তাকে গতকাল সোমবার পুলিশ হেফাজতে নিয়ে প্রথমে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তিনি যতটুকু জানেন, আমরা ততটুকু জানার চেষ্টা করেছি সকালে তাকে আদালতে নেয়া হয়েছে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে লিখিত জবানবন্দি দেয়ার পর তাকে ছেড়ে দেয়া হবে

এদিকে মামলার তদন্ত সংশ্লিষ্ট ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা দুলালের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে গণমাধ্যমকে বলেন, দুলাল আমাদের বলেন, দিহান ওই ছাত্রীকে বাসায় নিয়ে গেলে দারোয়ান তাকে কিছু বলেননি

এর এক ঘণ্টা পর দিহান ইন্টারকমে তাকে ফোন কেরে উপরে উঠতে বলেন উপরে গিয়ে দারোয়ান দেখেন, মেয়েটিকে সোফায় শুইয়ে রাখা হয়েছে ওই সময় সোফায় রক্ত লেগে ছিল পরে হাসপাতালে নেয়ার জন্য তাদের গাড়িতে তুলে দেন দুলাল এরপর প্রায় এক ঘণ্টা পর তিনি বাসা থেকে পালিয়ে যান।

এদিকে মামলার এজাহারেও এখন পর্যন্ত মামলার তদন্তে এ ঘটনায় শুধু দিহান জড়িত থাকার বিষয়টি উল্লেখ থাকলেও আনুশকার বাবা দাবি করছেন ঘটনা একা ঘটায়নি দিহান। আনুশকাকে যেভাবে পাশবিক নির্যাতন করা হয়েছে এতে আরও কেউ জড়িত রয়েছে বলেও অভিযোগ তার।

প্রসঙ্গত, ৭ জানুয়ারি রাজধানীর কলাবাগানে বন্ধু ইফতেখার ফারদিন দিহানের বাসায় গিয়ে মারা যান মাস্টারমাইন্ড স্কুলের  ও লেভেলের এক শিক্ষার্থী। এ ঘটনায় ওই দিনই মেয়েকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে দিহানকে আসামি করে কলাবাগান থানায় মামলা করেন মেয়েটির বাবা মো. আল আমিন। পরে দিহান ও তার তিন বন্ধুকে কলাবাগান থানা পুলিশ গ্রেফতার  করে।

আরও পড়ুনঃ দিহানের সঙ্গে দারোয়ানের দেওয়া বর্ণনার মিল পাওয়া গেছে

জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বাকি তিনজনকে ছেড়ে দিয়ে দিহানকে এ মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। শুক্রবার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় দিহান। বর্তমানে সে কারাগারে রয়েছে। দিহানের ডিএনএ পরীক্ষার অনুমতি দিয়েছে আদালত।