মোসাদ্দেককে নিয়ে আশাহত কোচ!

Mosaddek Hossain

চট্টগ্রাম টেস্টে বল হাতে সফল নাঈম হাসান ইনজুরিতে পড়ায় তার পরিবর্তে ঢাকা টেস্টে সুযোগ পেয়েছিল মোসাদ্দেক হোসেন। বল করার পাশাপাশি লোয়ার অর্ডারে তার ব্যাটিং দক্ষতার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই তাকে স্কোয়াডে যুক্ত করা হয়।

যাতে করে শেষ দিকে তিনি ব্যাট হাতে অবদান রাখতে পারেন এবং আর বল হাতেও অবদান রাখতে পারেন। কিন্তু ঢাকা টেস্টে প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছেন মোসাদ্দেক।

টেস্ট ম্যাচে নেমে নাটকীয় কিছু মোসাদ্দেক করতেও পারেননি। আটে নেমে দুই ইনিংসে রান করেছেন শূন্য ও ৯ রান। দুইটিতেই আউট বাজে শটে। বল হাতে নবম ওভারেই তাকে আক্রমণে আনেন অধিনায়ক মুমিনুল হক। কিন্তু প্রথম ওভারে দু’টি চার হজম করেন তিনি।

২ ওভারে ১৪ রান দেওয়ার পর তাকে সরিয়ে নেন অধিনায়ক। এরপর শ্রীলঙ্কা বড় জুটি গড়লেও ১০০ ওভারের আগে মোসাদ্দেকের হাতে আর বল তুলে দেননি অধিনায়ক। পরে অবশ্য আরও ১০ ওভার বোলিং করেন তিনি। সব মিলিয়ে ১২ ওভারে ৩৮ রান দিয়ে উইকেটশূন্য। বলার অপেক্ষা রাখে না, ম্যাচে তার বোলিংয়ে আস্থা রাখতে পারেননি অধিনায়ক।

বোলিং যেহেতু কাজে লাগলই না, মোসাদ্দেকের জায়গায় ইয়াসির আলি চৌধুরির মতো কোনো স্পেশালিস্ট ব্যাটসম্যান নিলে দলের বেশি কাজে লাগত কিনা, এই প্রশ্ন উঠল ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে। কোচ ডমিঙ্গো বিশদভাবে বললেন মোসাদ্দেককে নেওয়ার পেছনে তাদের ভাবনা এবং সেই পরিকল্পনায় আশাহত হওয়ার কথা।

তিনি বলেন, মোসাদ্দেক খেলেছে কারণ পঞ্চম বোলার হিসেবে কাউকে প্রয়োজন ছিল আমাদের। আমাদের মনে হয়েছিল, দিনে ১৫ ওভার বোলিং করে দিতে পারবে সে। আমি কখনোই ৪ জন বোলার নিয়ে খেলার পক্ষপাতী নই। আগেও এটার কারণে আমাদের ভুগতে হয়েছে। এখানেও ভুগতে হয়েছে, কারণ যতটা আশা করেছিলাম, ততটা করতে পারেনি মোসাদ্দেক।

আরও পড়ুনঃ মুশফিকে হারাল বাংলাদেশ

ডমিঙ্গো আরও বলেন, রাব্বিকে (ইয়াসির) খেলালে আট নম্বরে ব্যাটিং করাতে হতো। যেটার কোনো মানে নেই। আমাদের মনে হয়েছিল, মোসাদ্দেক হয়তো প্রায় মিরাজের মতোই করতে পারবে। মিরাজকে না পাওয়া একটা বড় ক্ষতি। কারণ সে অনেক ওভার বোলিং করে, নিয়ন্ত্রিত বল করে, উইকেট নেয়, ব্যাটিংও করে। এটাই কারণ মোসাদ্দেককে নেওয়ার।

0 Shares
  • 0 Facebook
  • Twitter
  • LinkedIn
  • Mix
  • Email
  • Print
  • Copy Link
  • More Networks
Copy link
Powered by Social Snap