মেসিদের রুখে দিল নিস

PSG vs Nice

ম্যাচের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রতিপক্ষের ওপর চাপ ধরে রাখল পিএসজি। খুব বেশি সুযোগ অবশ্য তৈরি করতে পারল না তারা, পেল না গোলের দেখাও। জমাট রক্ষণের সঙ্গে গোলরক্ষকের দৃঢ়তায় শিরোপা প্রত্যাশীদের রুখে দিল নিস।

ঘরের মাঠে বুধবার রাতে লিগ ওয়ানের ম্যাচটি গোলশূন্য ড্র করেছে মাওরিসিও পচেত্তিনোর দল। লিগে টানা চার জয়ের পর পয়েন্ট হারাল পিএসজি।

প্রায় ৭০ শতাংশ সময় বল দখলে রেখে পিএসজি গোলের উদ্দেশ্যে ২২টি শট নিয়ে মাত্র ৫টি লক্ষ্যে রাখতে পারে। অধিকাংশ সময় ঘর সামলাতে ব্যস্ত নিস মাত্র ৪টি শট নিতে পারে; এর দুটি ছিল লক্ষ্যে।

চোটের ছোবলে ছয় মাসের বেশি সময় মাঠের বাইরে কাটানোর পর গত রোববার সাঁত এতিয়েনের বিপক্ষে পিএসজির জার্সিতে অভিষেক হয় সের্হিও রামোসের। কোনো সমস্যা ছাড়াই খেলেন পুরোটা সময়। কিন্তু নিসের বিপক্ষে স্কোয়াডেই ছিলেন না তিনি। আর ওই ম্যাচেই চোট পেয়ে দুই মাসের জন্য ছিটকে গেছেন নেইমার।

ব্রাজিলিয়ান তারকার অনুপস্থিতিতে লিওনেল মেসির দুই পাশে কিলিয়ান এমবাপে ও আনহেল দি মারিয়াকে রেখে আক্রমণভাগান সাজান কোচ পচেত্তিনো।

শিরোপা পুনরুদ্ধারের অভিযানে দারুণভাবে এগিয়ে চলা দলটি এ ম্যাচেও আক্রমণাত্মক শুরু করে। তবে প্রথম ভালো সুযোগটা তৈরি করে আগের ৩ ম্যাচের দুটিতে হারা নিস। নবম মিনিটে পাল্টা আক্রমণে দূর থেকে কেসপা ডলবেয়ার শট ঝাঁপিয়ে ঠেকান গোলরক্ষক জানলুইজি দোন্নারুম্মা।

২৭তম মিনিটে মেসির পাস ধরে এমবাপের নেওয়া ডান পায়ের শট ঝাঁপিয়ে ফেরান নিস গোলরক্ষক। ৫ মিনিট পর ফরাসি ফরোয়ার্ড অঁদি দেলোর হেডে এক হাত দিয়ে কোনোমতে বল ক্রসবারের ওপর দিয়ে পাঠান দোন্নারুম্মা।

আগের ম্যাচে দলের ৩ গোলেই অবদান রাখা মেসি এদিনও শুরু থেকে প্রতিপক্ষের রক্ষণকে ব্যস্ত রাখেন। যদিও বিরতির আগে উল্লেখযোগ্য সুযোগ খুব বেশি তৈরি করতে পারেনি তারা। ৩৫তম মিনিটে আর্জেন্টাইন তারকার শট ঠেকিয়ে দেন তারই স্বদেশি গোলরক্ষক ওয়াল্তার বেনিতেস।

দ্বিতীয়ার্ধের প্রথম ছয় মিনিটে দারুণ দুটি সুযোগ পেয়েও বেনিতেসের দেয়াল ভাঙতে পারেনি পিএসজি। এমবাপের পাস ধরে ওয়ান-অন-ওয়ানে দি মারিয়ার শট পা বাড়িয়ে ঠেকান গোলরক্ষক। দুই মিনিট পর মেসির পাস পেয়ে নুনো মেন্দেসের শটও ঠেকিয়ে দেন ২৮ বছর বয়সী বেনিতেস।

আরও পড়ুনঃ বড় ব্যবধানে হারল বাংলাদেশ

৫৯তম মিনিটে প্রতিপক্ষের দুর্ভাগ্যের জোরে বেঁচে যায় পিএসজি। কাছ থেকে অরক্ষিত ডলবেয়ার হেড পোস্টে বাধা পায়। ৭৬ তম মিনিটে ডি-বক্সের বাইরে থেকে দি মারিয়ার শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।

খানিক পর প্রতিপক্ষের দুর্বলতার সুযোগে বল ধরে ডি-বক্সে ঢুকে পড়েন মেসি। বিনা বাধায় শটও নিতে পারেন তিনি, কিন্তু বল উড়ে যায় আকাশে। নির্ধারিত সময়ের শেষ মিনিটে ইদ্রিসা গেয়ির শটও লক্ষ্যভ্রষ্ট হলে জয়ের আশা মিলিয়ে যায় পিএসজির।

ফলে সপ্তম ব্যালন ডি’অর জয়ের পর লিওনেল মেসির প্রথম ম্যাচটি রাঙাতে পারেনি পিএসজি।

0 Shares
  • 0 Facebook
  • Twitter
  • LinkedIn
  • Mix
  • Email
  • Print
  • Copy Link
  • More Networks
Copy link
Powered by Social Snap