মাদারীপুরে সেতুতো নয় যেন মরন ফাঁদ, ভোগান্তি হাজারো লোকজনের

My invent tv

মাদারীপুরে প্রায় ১০বছর ধরে একটি সেতু ঝুকিপূর্ণ অবস্থায় পরে রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ভাঙতে ভাঙতে অচল হয়ে গেছে সেতুটি। সেতুটির বিভিন্ন স্থানে পলেস্তার খসে পরে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়ে মানুষ চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পরেছে। কর্তৃক পক্ষের কাছে বারবার জানানোর হলেও নেওয়া হয়নি কোন উদ্দ্যোগ। সরেজমিনে দেখা গেছে মাদারীপুরে চরগোবিন্দপুর গ্রামের মৌলভীর খালের ওপর এটিএম বাজার সংলগ্ন সেতুটির প্রায় ১০বছর ধরে ঝুকিপূর্ণ অবস্থায় পরে রয়েছে, সেতুটির বিভিন্ন স্থানে পলেস্তার খসে পরে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পরেছে।বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় ঝুকিপূর্ণ সেতুটির উপর বাশের মাচা বিছিয়ে প্রায় ৫বছর ধরে চলাচল করছে এলাকাবাসী।সেতুটির সব জায়গায় বড় বড় অংশ ভেঙে গেছে। তাছাড়া একাংশে হাঁটার জায়গা সম্পূর্ণ ভেঙে যাওয়ায় মাচা করে নিয়েছেন এলাকাবাসী। সেই মাচার ওপর দিয়ে পার হচ্ছেন শত শত মানুষ।মাদারীপুর শহর, স্থানীয় হাট-বাজার, স্কুল, মাদ্রাসা হাসপাতালসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোয় যাতায়াত করার বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় এই সেতু দিয়েই তারা ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন। একজন মুমূর্ষু রোগীকে হাসপাতালে নিতে দুর্ভোগ পরছেন স্থানীয়রা।সেতুটি ব্যবহার করে ৮টি গ্রামের শিশু কিশোর জীবনের ঝুকি নিয়ে প্রতিদিন স্কুল কলেজ, মাদ্রাসাসহ হাট বাজারে যেতে হয়।সেতুটি পার হতে বিভিন্ন সময় দুর্ঘটনায় পরতে হয়েছে অনেকের। এটি এম বাজারের ইলেকট্রনিক ব্যবসায়ী ওবাইদুল বলেন, আমাদের গ্রামের সকল ব্যবসায়ীর যাতায়াত এই ব্রিজ দিয়ে মাঝে মধ্যেই দুর্ঘটনার কথা শুনি,রাত হলে ব্রিজটি হয় মরন ফাদ।দ্রুত ব্রিজটি নতুন করে পুর্ননির্মান করে এলাকাবাসীর সস্থির নিঃশ্বাস ফেলবে। চরগোবিন্দপুর স্কুলের ছাত্রী সুরাইয়া জানান, যখন সেতু পার হই, তখন ভয় লাগে। আমরা দ্রুত একটি সেতু চাই। সেতুটি নির্মাণ হলে আমরা স্কুলের ছাত্র ছাত্রী নির্ভয়ে স্কুলে আসা যাওয়ার করতে পারবো। খোয়াজপুর ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য বাদল বেপারী বলেন, প্রায় ত্রিশ বছর আগে সেতুটি নির্মাণের পর এলাকাবাসীর উপকার হয়েছিল। কিন্তু অন্তত এক দশক আগে এটি অকেজো হয়ে পড়ে। তারা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে কয়েকবার উদ্যোগ নিলেও বরাদ্দ পাননি।মাদারীপুর সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মশিউর রহমান বলেন, নতুন সেতু নির্মাণের জন্য ইতোমধ্যে প্রকল্প গ্রহণ করেছেন।“প্রকল্পটি পাস হয়ে এলে নতুন করে নির্মাণ করা হবে। আমরা আশা করছি, আগামী জুনে অর্থ বরাদ্দ পেলে আমরা সেতুটি নতুন করে নির্মাণ করে দেব।
মোঃ রাকিব হাসান ,মাদারীপুর প্রতিনিধি

0 Shares
  • 0 Facebook
  • Twitter
  • LinkedIn
  • Mix
  • Email
  • Print
  • Copy Link
  • More Networks
Copy link
Powered by Social Snap