ভয় যেন পুলিশের ,করোনার নয়

News Jnu reporter

কঠোর লকডাউন পর্বের দ্বিতীয় দিন চলছে আজ। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় পুলিশি তৎপরতা এবং কিছু মানুষের সতর্কতা থাকলেও অধিকাংশের মধ্যে রয়েছে এর অভাব।

ভয় পাচ্ছে না কেউই। প্রয়োজন ব্যতীত ঘর থেকে বের হওয়ার নিষেধাজ্ঞা থাকলেও বন্ধ হচ্ছে না বের হওয়া।রমজান মাস, রোজা রাখার কারণে খাবারের হোটেল, রেস্টুরেন্ট গুলোতে সকালের নাস্তার জন্য উপচে পড়া ভিড় না থাকলেও তাদের সবজি আর মাছ মাংসের দোকানের সামনে ভিড় সামলানো কঠিন কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সতর্কতা মেনে খোলা স্থানে সবজি বিক্রি করার কথা থাকলেও ফুটপাতে আর গলির মাথায় গেঞ্জি পরিবেশে সবজি বিক্রেতারা ঠিকই অবস্থান করছে। পুলিশের গাড়ির হুইসেল শুনলে কিংবা পুলিশ আসতে দেখলেই কাপড় দিয়ে ঢেকে অন্যত্র প্রস্থান করছে তারা।
জনসাধারণকে ঘর থেকে বের হওয়ার কারণ জিজ্ঞাসা করলেই পুলিশদেরকে পড়তে হয় উল্টো নানা ধরনের প্রশ্নের মুখে।
ঘর থেকে বের হলেও স্বাস্থ্যবিধি মানছে না অনেকেই, না আছে মুখে মাস্ক আর সেনিটাইজেশনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা।
কঠোর লন্ডনের কথা শুনে প্রথম দিন অনেকে ঘর থেকে বের হতে দ্বিধা বোধ করলেও দ্বিতীয় দিন যেন আর কোন ভয় কাজ করছে না।
কয়েকজনের সাথে কথা বলতে গেলে গণমাধ্যম কর্মীর উপরই যেন বিরক্ত জনগন।
মাস্ক না পরার কারণ জানতে চাইলে সবজিওয়ালা বলেন, “মাস্ক মাটিতে পরে গেসে তাই আর তুলে পরি নাই।পুলিশ আসলে তো আমরা থাকি না, মসজিদের ভিতরে চলে যাই।” কিনতে যাওয়া মহিলা বলেন,”যদি বাঁচতেই না পারি,মাস্ক দিয়া কি করুম। আল্লাহ যেদিন লিখেছেন ঐদিন ই মইরা যামু।পুলিশ এর কি? সরকারি চাকরী করে তো ট্যাকা পায়।আমাগোর কষ্ট তারা কি বুঝবো??”
কয়েকজন একসাথে গ্রুপ করে কথা বলতে থাকলে তাদেরকে এভাবে বাইরে অবস্থান করার কথা জিজ্ঞেস করাায় ওনারা বলেন,
“আমরা তো মাস্ক পরছিই। লকডাউন দিয়া কিসু হয় না।মানুষরে সচতন হইতে কন তাইলেই
হইবো।”
পুলিশ আসতে দেখে তারা সেকান থেকে দ্রুত সরে গেলো।সকলেরই একই অবস্থা।
করোনাকে ভয় পাওয়ার কোনো লক্ষণ কারো মধ্যে দেখা না গেলেও পুলিশকে দেখে ভয় পাওয়া টা যেন একটা স্বাভাবিক ঘটনাই হয়ে গেলো।
অমৃত রায়, জবি প্রতিনিধি