বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে স্কুল ছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ

Rape of a schoolgirl more than once showing the temptation of marriage

বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে পটুয়াখালীর দশমিনা সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত ১৯ জানুয়ারি রাতে উপজেলার বড়গোপালদী এলাকা থেকে ধর্ষক সাইফুল ইসলামকে (১৯) আটক করেছে দশমিনা থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২১ জানুয়ারি) তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

দশমিনা থানা সূত্রে জানা গেছে, দশমিনা উপজেলা সদরের দশমিনায় নানার বাসায় থেকে লেখাপড়া করতেন ওই ছাত্রী। ছাত্রীর বাবা ঢাকায় কর্মরত। ওই ছাত্রী ঢাকায় বাবার কাছে বেড়াতে গিয়ে দশমিনা উপজেলার বেতাগী সানকিপুর ইউনিয়নের বড়গোপালদী গ্রামের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাহেব আলী প্যাদার ছেলে সাইফুল ইসলামের সাথে পরিচয় হয়।

পরিচয়ের সূত্রে প্রেম ও বিয়ের প্রলোভনে ওই ছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন সাইফুল ইসলাম। পরে প্রেমিক সাইফুল ইসলাম ছাত্রীকে ঢাকায় গোপনে বিয়ে করেছে বলে ছাত্রীর নানা-নানিকে জানিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মতো দীর্ঘদিন বসবাস করেছেন।

ছাত্রীর নানা জানান, তাদের বিয়ের বিষয়টি সন্দেহ হলে সাইফুলের কাছে বিয়ের কাগজপত্র দেখতে চাইলে সাইফুল বিভিন্ন অজুহাত দেখান। এ ঘটনায় গত ১৯ জানুয়ারি রাতে ছাত্রীর নানা বাদী হয়ে দশমিনা থানায় সাইফুলের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। দশমিনা থানা পুলিশ ওইদিন রাতেই উপজেলার বড়গোপালদী এলাকা থেকে সাইফুলকে আটক করে।

আরও পড়ুনঃ চাকরির কথা বলে গৃহবধূকে ধর্ষণ

দশমিনা থানার ওসি মো. জসীম জানান, ছাত্রীকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য ২০ জানুয়ারি পটুয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ধর্ষণের অভিযোগে সাইফুল ইসলামকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।