বান্দরবানের লামায় চলছে কোচিং, স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীরা

Bandarban News

করোনা মহামারির কারণে দেশে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ কোচিং ও প্রাইভেট পড়ানো বন্ধের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। কিন্তু লামায় কিছু জায়গায় নির্দেশ অমান্য করেই চলছে কোচিং ও প্রাইভেট ‘বাণিজ্য’।
অভিযান-জরিমানা করেও থামানো যাচ্ছে না তাদের। এর ফলে শিক্ষার্থীদের মধ্যেও আইন না মানার প্রবণতা যেমন বাড়ছে তেমনি বাড়ছে স্বাস্থ্য ঝুঁকি।(মঙ্গলবার) সরেজমিনে লামা পৌর এলাকায় ঘুরে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সরকারি নির্দেশ উপেক্ষা করে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও ছাত্র কোনো প্রকার সামাজিক দূরত্ব বজায় না রেখেই নতুন কৌশলে কোচিং বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন। এতে উপজেলায় করোনা সংক্রমণের মারাত্মক ঝুঁকির আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে বলে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

এ দিকে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কোচিং সেন্টার চালু থাকায় সচেতন মহলে দেখা দিয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। চিকিৎসকরা মনে করছেন, এভাবে কোচিং সেন্টার চললে করোনায় আক্রান্তের ঝুঁকি রয়েছে এ সব শিক্ষার্থীদের। করোনার ঝুঁকি নিয়ে কোচিং সেন্টারে আসা শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্ন।

অভিভাবকদের দায়িত্বে অবহেলা ও খাম খেয়ালীপনা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে সচেতনমহলে। প্রশাসনের এমন উদাসীনতা দেখে উপজেলার সচেতন মানুষের মধ্যে প্রচণ্ড ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে গত বছরের মার্চ মাসের ১৬ তারিখে দেশের সব কোচিং সেন্টার বন্ধের নির্দেশ দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

তারপর থেকে এখনো পর্যন্ত সেই নির্দেশ জারি রয়েছে। এর মধ্যে দেশে করোনার নতুন ঢেউ শুরু হওয়ায় ১৮ দফা নির্দেশনা জারি করেছে সরকার।এইসব নির্দেশনার মধ্যেও সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক, মাদ্রাসা, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয়) ও কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার কথা বলা হয়েছে।

কিন্তু সেই নির্দেশনা মানছে না বেশিরভাগ কোচিং। জরিমানা করেও থামানা যাচ্ছে না তাদের।উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন, লকডাউনে যেখানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ, সেখানে অযাচিতভাবে যারা কোচিং বাণিজ্য চালাবেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
জাহিদ হাসান,লামা(বান্দরবান) প্রতিনিধি