প্রশাসনের নীরব ভূমিকায় রাজধানী ঢাকার পূর্ব ধোলাইপাড়ে যানবাহনে চাঁদাবাজী

রাজধানী ঢাকার কদমতলী থানাধীন পূর্ব ধোলাইপাড় এলাকার ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা দোকানপাট ও ব্যাটারী চালিত সিএনজি, অটো ও ইজি বাইক থেকে স্থানীয় কতিপয় চাঁদাবাজ প্রতিনিয়ত জোর পূর্বক চাঁদা আদায়সহ বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এনিয়ে দোকান ও যানবাহন মালিকসহ চালকরা চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকার করায় দোকান ও যানবাহন মালিকসহ চালকদের সাথে চাঁদাবাজদের সংঘর্ষ ও বিরোধ চরমে উঠেছে। এনিয়ে থানায় একাধিক অভিযোগ করা হলেও প্রশাসন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না নেয়ায় গত এক সপ্তাহ ধরে ওই এলাকায় উভয়ের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

স্থানীয় লোকজন জানান, জাতীয় পাটির সমর্থক হিসেবে পরিচিত পশ্চিম দোলাইপাড়ের জহির, পূর্ব ধোলাইপাড়ের শাহীন দেওয়ান, দনিয়া পাটেরবাগ মীম আক্তার ডিপটি গলির সুজন, যাত্রাবাড়ির শহিদুল মিলে পূর্ব ধোলাইপাড় এলাকার ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা শতাধিক দোকানপাট থেকে দোকান প্রতি ৫০ টাকা এবং শতাধিক ব্যাটারী চালিত ইজি বাইক থেকে ইজি বাইক প্রতি ৫০ টাকা করে প্রতিদিন চাঁদা আদায় করে থাকে।

বিষয়টি সিএনজি, অটো ও ইজি বাইক মালিক ও দোকান মালিক মিলে প্রতিহত করার চেষ্টা করলে উভয় পক্ষে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এনিয়ে গত ২০ ডিসেম্বর উভয়ের মধ্যে সংঘর্ষও হয়। এসব অবৈধ দোকানপাট এবং সরকার নিষিদ্ধ ইজিবাইক যত্রতত্র ভাবে পার্কিক করায় এলাকায় যানজট সৃষ্টিসহ জনদূর্ভোগের চরমে উঠে।

সন্ধ্যার পর এসব এলাকায় মাদকাসক্তদের আড্ডা জমে, সেই সাথে প্রতিনিয় সন্ধ্যার পর ছিনতাই সংঘটিত হয়। এলাকার ছিনতাই, মাদক, চাঁদাবাজি রোধ করতে ইতিপূর্বে কদমতলী থানায় এটিএম আব্দুল্লাহ কাজল এবং মো. ফয়েজ আহমেদ নামে দু-ব্যক্তি বাদী হয়ে অভিযোগ করেছেন।

এলাকাবাসী অবিলম্ভে অত্র এলাকা থেকে ইজিবাইক ষ্ঠ্যান্ড এবং অবৈধ স্থাপনাসহ দোকানপাট অপসারণ করে এলাকাকে মাদক, ছিনতাই, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ মুক্ত করার জোর দাবী জানান।

এব্যাপারে উপরোক্ত চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগকারী ফয়েজ আহমেদকে তার মুঠোফোনে পাওয়া না গেলেওে অপর অভিযোগকারী এটিএম আব্দুল্লাহ কাজল জানান, উপরোক্ত ব্যক্তিরা অটো ইজিবাই পরিবহন ডাম্পিং করার হাত থেকে রক্ষার নামে এবং দোকানপাট যাতে ভাঙ্গা নয় সেই অজুহাতে যারা চাঁদাবাজি করছে, আমরা তার প্রতিবাদ করে ইতিমধ্যে চাঁদাবাজি বন্ধ করে দিয়েছি।

এ এলাকায় কোন চাঁদাবাজি করতে দেয়া হবে না। বিষয়টি নিয়ে আমি থানায় অভিযোগ করেছি, আইনর্শৃংখলা বাহিনী বিষয়টি তদন্ত করছে বলে তিনি জানান।

মৃণাল চৌধুরী সৈকত :