পৌরসভা নির্বাচনে ইভিএম ভোট প্রদানে ধীরগতি

Slower EVM voting in municipal elections

নেত্রকোনার মদন পৌরসভা নির্বাচনে শতভাগ ভোট ইভিএম (ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন) পদ্ধতিতে নেয়া হচ্ছে। আজ সোমবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত টানা এ ভোটগ্রহণ চলবে। তবে ইভিএম পদ্ধতিটি নতুন হওয়ায় ভোট প্রদানে ধীরগতি দেখা দিয়েছে।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা আব্দুল লতিফ শেখ জানান, শান্তিপূর্ণভাবে ভোট চলছে। এখন পর্যন্ত কোথাও কোনো অপ্রীতিকর খবর পাওয়া যায়নি।

নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, পৌরসভায় ৯টি ওয়ার্ডে মোট ভোটার সংখ্যা ১২ হাজার ৮৪১ জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ হাজার ৩২৪ জন। আর নারী ভোটার ৬ হাজার ৫১৭ জন।

৯ টি কেন্দ্রে ৯ জন প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, ৩৭ জন সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও ৭৪ জন পোলিং কর্মকর্তা ভোটগ্রহণ কাজে নিয়োজিত রয়েছেন। এছাড়া পুলিশ, র্যাব, আনসার সদস্যের পাশাপাশি ২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন রয়েছে।

মদন কোর্ট বিল্ডিং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা এনামুল হক জানান, অনেক বয়স্ক ও নারী ভোটারদের ভোট দিতে দেরি হচ্ছে। ভোটার উপস্থিতি ভালো কিন্তু ভোট দিতে দেরি হচ্ছে।

ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট হওয়ায় ভোটারদের মধ্যে বেশ উৎসাহ দেখা গেছে। ভোট শুরুর আগেই বেশিরভাগ কেন্দ্রের সামনে ভোটারদের উপচে পড়া ভিড় চোখে পড়েছে।

সকাল ৯টা থেকে সাড়ে ৯টা পর্যন্ত ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কোর্ট বিল্ডিং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে গিয়ে এ চিত্র দেখা গেছে।

সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে ৮ নম্বর ওয়ার্ডের জাহাঙ্গীরপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে গিয়ে দেখা গেছে নারী ভোটারের লম্বা ৩ টি সারি। কেন্দ্রে মোট ভোটার সংখ্যা এক হাজার ২১৯ জন। সকাল ১০টার পর্যন্ত ১ নম্বর বুথ কক্ষে ২৯৬ জন ভোটারের মধ্যে ৩৩ জন, ২ নম্বর বুথ কক্ষে ২৯৫ জন ভোটারের মধ্যে ৩৮ জন ভোটার ভোট দিয়েছেন।

আর পড়ুনঃ কমলগঞ্জের গারো ও খাসিয়া ১৫০ পরিবারে বিদ্যুৎ সংযোগ

মদনে মেয়র পদে ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাদের মধ্যে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী সাইফুল ইসলাম, বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী এনামুল হক, বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী নারকেল গাছ প্রতীকের মো. আবদুর রউফ ও মোবাইল ফোন প্রতীকের মাশরিকুর রহমান ওরফে বাচ্চু, স্বতন্ত্র প্রার্থী জগ প্রতীকের দেওয়ান মোদাচ্ছের হোসেন এবং লাঙ্গল প্রতীকের ক্ষুদিরাম দাস প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

 

এছাড়া কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোট ৪০ জন।