পর্যটকসহ হাজারো মানুষের ভোগান্তি,ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সেতু!

Rangabali news

জাহাজমারা সমুদ্র সৈকতে বেড়াতে আসা পর্যটক ও পাঁচ গ্রামের প্রায় ১০ হাজার মানুষের যাতায়াতের ভরসা ১০০ ফুট দৈর্ঘ্যরে একটি বাঁশের সেতু।
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার মৌডুবী ইউনিয়নের ভূঁইয়াকান্দা গ্রামে চর-বগলা হারির খালের ওপর অবস্থিত ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সেতুটি।
সরেজমিনে জানা যায়, গ্রামবাসীরদের উদ্যোগে প্রায় ২৫ বছর আগে ১০০ ফুটের একটি বাঁশের সেতু তৈরী করা হয়।

এতে গ্রামবাসীর কিছুটা দূর্ভোগ লাগব হলেও জনপ্রতিনিদের দৃষ্টি না থাকায় প্রতিবছর নিজেদের অর্থায়নে সেতুটি সংস্কার করেছেন তাঁরা। বর্তমানে নড়বড়ে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে সেতু।

বিকল্প পথ না থাকায় প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করে ওই গ্রামের স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা।
স্থানীয়রা জানান, বছরের পর বছর ধরে গ্রামের মানুষ এই সেতু দিয়া চলাচল করে। রাতের বেলা টর্চ লাইটের আলোয় পা টিপ টিপ করে চলাচল করে।

এবং এই সেতু পাড় হতে গিয়ে অনেকেই পড়ে গেছেন। এভাবে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মানুষ চলাচল করে। শীঘ্রই এখানে একটি ব্রিজ নির্মাণের দাবি জানান তাঁরা।
মৌডুবী মুখরবান্দা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জানায়, ভাংগাচুরা সেতু পাড় হয়ে আমাদের স্কুলে যেতে হয়।

সেতু পাড় হয়ে স্কুলে যাওয়ার সময় আমি ও সহপাঠীরা অনেক বার পানিতে পড়ে গেছি। নরবড়ে সেতু পাড় হতে আমাদের ভয়ও করে। এখানে একটা ব্রিজ জরুরি দরকার।
মৌডুবী ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মোঃ মনিরুল ইসলাম বলেন, উপজেলা পরিষদে মাসিক সমন্বয় সভায় ব্রিজের বিষয়টি উপস্থাপন করা হবে এবং যাতে দ্রুত জনদুর্ভোগ লাগবে ব্যবস্থা গ্রহন করা হয় এজন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে অবহিত করবো।
এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ ঐ সেতুটি সরেজমিন পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

মাহমুদ হাসান,রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী)