নেতানিয়াহুরর গোপন বৈঠকের কথা অস্বীকার করছে সৌদি

Saudi Arabia denies crown prince held secret meeting with Israeli PM

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছিল যে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু রবিবার সৌদি আরব ভ্রমণ করেছেন এবং সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ও যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেওর সাথে একটি গোপন বৈঠক করেছেন। খবর ভয়েস অব আমেরিকার।

সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ খবর অস্বীকার করেছেন এবং প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু এ বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি। ইসরায়েল সৌদি আরবকে মধ্য প্রাচ্যের অন্যতম মধ্যপন্থী পন্থার মধ্যস্থতাকারী হিসাবে দেখছে যা ইরানকে চ্যালেঞ্জ জানাতে পারে।

নেতানিয়াহুর গোপন বৈঠকের কথা ফাঁস হয় যখন ইসরায়েলি সাংবাদিকরা টুইটারে পোস্ট করেন যে, একটি ব্যক্তিগত প্লেন লোহিত সাগর উপকূলে সৌদি আরবে তেল আবিব এবং নেওমের মধ্যে বিরল ভ্রমণ করেছে।

নেতানিয়াহু অতীতে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সাথে দেখা করতে একই বিমান ব্যবহার করেছিলেন এবং এ স্থানটিতেই সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও, যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সাথে সাক্ষাৎ করেন।

পম্পেও সে সময় মধ্যপ্রাচ্যে তার সাত-রাষ্ট্রীয় সফরের সমাপ্তিতে ছিলেন। সম্ভবত, পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে এটাই তার শেষ সফর। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল উভয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, পম্পেওর এই বৈঠকের কেন্দ্রবিন্দু ছিল নব নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং ইরানের বিষয়ে তার ভবিষ্যত নীতি।

ইসরায়েলের প্রাক্তন জাতীয় সুরক্ষা উপদেষ্টা জ্যাকব নাগেল বলেন, এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের ভবিষ্যত নীতিমালা বিষয়ে একটা অস্বস্তি কাজ করছে।

তিনি বলেন, ইরান পারমাণবিক শক্তি হয়ে উঠবে বলে আশঙ্কা করছে সৌদি আরব ও ইসরায়েল। ইসরায়েল যখন সম্প্রতি সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন এবং সুদানের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করেছে, তখন তেলসম্পদ সমৃদ্ধ সৌদি আরবকে পার্সিয়ান উপসাগরের গুরুত্বপূর্ণ দেশ হিসাবে দেখা হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ চীনকে বড়সড় সতর্ক বার্তা দিল ভারতসহ ৪ দেশ

ইসরায়েল দীর্ঘকাল সৌদিদের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করতে চেয়েছিল। তবে সৌদি আরব বরাবরই বলে আসছে যে ইসরায়েলকে অবশ্যই ফিলিস্তিনের সমস্যা সমাধান করতে হবে।