নারায়ণগঞ্জে লঞ্চডুবি : ২৭ জনের লাশ উদ্ধার

shohel ahmed bhuiyan
সকাল থেকে নারায়ণগঞ্জের  শীতলক্ষ্যায় ডুবে যাওয়া যাত্রীবাহি লঞ্চটি উদ্ধারে কাজ করছিল।উদ্ধারকারী জাহাজ প্রত্যয়। সোমবার (৫ এপ্রিল) দুপুর সোয়া বারােটার দিকে যখন লঞ্চটি উদ্ধার করে তীরে নিয়ে আসা হয় তখন ভেতরে কেবল লাশ দেখা যায়। ইতিমধ্যে ২১ জন শিশু, নারী ও পুরুষের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
এর আগে গতরাতে ৫জন নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছিল।রোবার (৪ এপ্রিল) সন্ধ্যা সােয়া ছয়টর দিকে সদর উপজেলার চর সৈয়দপুর এলাকায় একটি কোস্টার জাহাজের ধাক্কায় একটি লঞ্চ ডুবে যায়।
অর্ধশতাধিক যাত্রী ছিল। রাতেই ২৯ জন সাঁতরে তীরে ওঠেন৷ ও নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধারে রাত থেকে কাজ করছে বিআইডব্লিউটিএ, কোস্টগার্ড, দমকল বাহিনী, নৌ ও থানা পুলিশের উদ্ধারকর্মী।
রাতে উদ্ধারকর্মীরা ৫ নারীর লাশ উদ্ধার করেছে বলে জানান সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাহিদা বারিক, লাশগুলো স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
নিহতরা হলেন: মুন্সিগঞ্জ সদরের উত্তর চমসুরার ওয়ালিউল্লাহের স্ত্রী পাখিনা (৪৫), মুন্সিগঞ্জের প্রিতীময় শর্মার স্ত্রী প্রতিমা শর্মা (৫৩),মালপাড়ার হারধন সাহার স্ত্রী সুনিতা সাহা (৪০) এ নোয়াগাঁও পুর্বপাড়ার দুখু মিয়ার মেয়ে ছাউদা আক্তার লতা (১৮)।
রাতে উদ্ধার হওয়াদের মধ্যে একজনের পরিচয় পাওয়া যায়নি। সব মিলিয়ে ৩২ জন নিখোঁজ ছিলেন।  এদিকে দুপুর সােয়া বারোটার দিকে ডুবে যাওয়া।লঞ্চটি তীরে আনা হলে ভেতরে লাশ দেখা যায়।
এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ২১টি নতুন লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নারায়ণগঞ্জ নৌ থানা পুলিশের  কর্মকর্তা (ওসি) মাে. শহিদুল আলম জানান, চরসৈয়দপুর এলাকায় শীতলক্ষ্যায় নির্মাণাধীন সেতুর কাছাকাছি স্থানে এ ঘটনা ঘটে। একটি কোস্টার জাহাজের ধাক্কায় এম এল সাৰিত আল হাসান নামের লঞ্চটি ডুবে যায়। নারায়ণগঞ্জ থেকে মুন্সিগঞ্জের দিকে রওয়ানা হয়েছিল ডুবে যাওয়া লঞ্চটি।
সোহেল আহমেদ ভূঁইয়া,নারায়ণগঞ্জ