দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে সাংবাদিকদের কাজ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

Journalists must work motivated by patriotism

গণতন্ত্রের নীতিমালার মতো সাংবাদিকতারও একটা নীতিমালা আছে। সেগুলো মেনে চললে অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যায় উল্লেখ করে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রবিবার, হোটেল ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটির রজতজয়ন্তী অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে এ আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে সম্প্রচার আইন নিয়ে কথা বলেন। হলুদ সাংবাদিকতা না করে মানুষের উন্নয়নের সাংবাদিকতা করার পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘সংবাদপত্র সমাজের দর্পণ। সমাজের দর্পণ যেটা হবে সেটা যেন অন্তত মানুষের মধ্যে দেশপ্রেম জাগ্রত করে, তারা যেন মানুষের কল্যাণে উদ্বুদ্ধ হয়। তারা যেন মানুষের কল্যাণে কাজ করে।’

ডিজিটাল বাংলাদেশ হয়েছিলো বলেই করোনাভাইরাসের এই দুঃসময়ে বিভিন্ন কার্যক্রম অব্যাহত রাখা এবং দেশকে গতিশীল রাখা সম্ভব হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

করোনার দুঃসময়ে দুস্থ সাংবাদিকদের জন্য নেয়া কার্যক্রমের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারের গড়ে তোলা ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে যাতে উচ্চমানের সাংবাদিক তৈরি হয়।  সাংবাদিকদের হয়রানি থেকে রক্ষা করতে সরকারের নানা পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, সরকার দারিদ্রের হার ৪০ ভাগ থেকে ২০ ভাগে নামিয়ে এনেছে। তার সরকারই দেশকে স্বাবলম্বী করার উদ্যোগ নিয়েছিলো। ধারাবাহিক উন্নয়নের ফলে সবাই এখন বাংলাদেশকে মর্যাদার চোখে দেখে।

তিনি আরও বলেন, ‘কোথাও কোনো দুর্নীতি বা অনিয়ম হলে পরে আমরা কিন্তু এটা চিন্তা করি না যে এটার সঙ্গে আবার দল জড়িত কি না। আমার অমুক জড়িত কি না। পার্টির বদনাম হবে কি না। সরকারের বদনাম হবে কি না- আমরা কিন্তু সেই চিন্তা কখনও করি না।

আমি চিন্তা করি, সেখানে অন্যায় হয়েছে তার বিরুদ্ধে আমাদের ব্যবস্থা নিতে হবে। এটা নিতে গিয়ে হয় এমন অনেক সময় দোষটা আমাদের ওপর চলে আসে। তখন এমন মনে হয়- আওয়ামী লীগ সরকারই যেন দুর্নীতি করছে। আসলে তা এমন নয়।’

আরও পড়ুনঃ বনানী কবরস্থানে বনানীতে শায়িত হবেন ব্যারিস্টার রফিক-উল হক

তিনি বলেন, দলের কেউ হলেও কোনও দুর্নীতিবাজ-সন্ত্রাসীকে ছাড় দিচ্ছে না সরকার। আওয়ামী লীগ দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেয় না। এ জন্য স্বাধীনভাবে সংবাদ তুলে ধরতে পারছেন সাংবাদিকরা।