দেওয়ানবাগীর ওরসেও অংশ নিয়েছিল করোনায় মৃত বৃদ্ধ

প্রাণঘাতী  করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত শনিবার (৪ এপ্রিল) কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে মারা যান ৯০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধ। মারা যাওয়া ওই বৃদ্ধ শরীয়তপুরের নড়িয়া থানা এলাকার থিরোপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।

জানা গেছে, মৃতের বড় ছেলে সম্প্রতি ইতালি থেকে ফিরেন। তবে তার দাবি ইতালি থেকে ফিরেও তিনি করোনায় আক্রান্ত নন।

তিনি জানান, তার বাবা চিকিৎসার জন্য ঢাকায় এসে দেওয়ানবাগীর ওরসে গিয়েছিলেন এবং যখন মিরপুরে তার বোনের বাসায় ছিলেন, সেখানকার স্থানীয় মসজিদে তিনি নামাজ আদায় করেছেন।

অসুস্থ হওয়ার পর চিকিৎসার জন্য ঢাকায় এসে দেওয়ানবাগীর ওরসেও অংশ নিয়েছিলেন ওই বৃদ্ধ। এদিকে, গত মাসের ২০ তারিখে মতিঝিলে হওয়া দেওয়ানবাগীর ওরসে হাজারেরও বেশি মুরিদ অংশ নেন।

ঢাকার মতিঝিল, মুগদা, বাসাবো ও মিরপুর এলাকায় তার কয়েক হাজার মুরিদ আছেন। তাই এখন প্রশ্ন ওঠছে, মারাত্মক ছোঁয়াচে এই রোগের কি তাহলে আরো কারো শরীরে ছড়িয়ে পড়েছে?

ওই বৃদ্ধের মৃত্যুর পর নড়িয়া থানা এলাকার থিরোপাড়া গ্রামের ২৪টি বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ করোনাভাইরাসে আরও ৫ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত বেড়ে ১৬৪

এর মধ্যে ১৯টি বাড়ি তার স্বজনদের। এছাড়া তাকে বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স চালকের বাড়িসহ আশপাশের আরো পাঁচটি বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে। ওই বৃদ্ধ কিভাবে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন সে তথ্য জানা যায়নি।

আইইডিসিআর জানিয়েছে, রাজধানীতে মিরপুর ও বাসাবো এলাকায় করোনাভাইরাস সংক্রমণ ক্লাস্টার আকার ধারণ করেছে। তাহলে কি ওই বৃদ্ধর থেকে ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাস? ওই বৃদ্ধ মিরপুরেও গিয়েছিলেন।

মিরপুর-১৩ নম্বরে তার বড় মেয়ের বাড়িতে ছিলেন তিনি। সেখান থেকে স্থানীয় মসজিদে নামাজ আদায় করেন। এখন তার মেয়ে, জামাই ও তাদের সন্তান জ্বর ও সর্দি-কাশিতে ভুগছেন। তাহলে কি তারাও করোনায় আক্রান্ত?

0 Shares
  • 0 Facebook
  • Twitter
  • LinkedIn
  • Mix
  • Email
  • Print
  • Copy Link
  • More Networks
Copy link
Powered by Social Snap