জীবানন্দ দাস,রবি ঠাকুরের লেখনীর পরসে খুলনার যুবক

Mukul biswas

অল্প লেখা অল্প আশা। অনেকের মধ্যেই রয়েছে নানা প্রতিভা যা সঠিক প্রচেষ্টার অভাবে সুপ্ত ভাবে পড়ে রয়।আবার কারো কারো প্রতিভা অদম্য প্রচেষ্টায় মানুষ মাঝে ছড়িয়ে পড়ে। তারই এক ভবিষ্যৎ নক্ষত্রের নাম দীপংকর মন্ডল।

তার ছেলে বেলা থেকে সাহিত্যের প্রতি এক বিশেষ আগ্রহ ছিল। ছোট বেলা থেকেই সে লেখা লেখি করে , তা প্রতিভা ছেলে বেলায় সুপ্ত থাকলেও এখন ছড়িয়ে পড়েছে মানুষ এর মাঝে। তার ছেলে বেলা কাটে পিতাঃ স্বর্গীয় যাদব চন্দ্র মন্ডল ও মাতা গীতা রানীর কাছে শ্যাম নগর থানার বড় পুপট গ্রামে।

তার সাথে আলাপ করে জানা যায় তিনি মোট ৩৭ টা কবিতা লিখেছেন এ পর্যন্ত। তার মধ্যে আমি বিচার চাই, এমন একদিন আসবে,এমন যদি হয়,আজ আকাশ নীল উল্লেখযোগ্য।তিনি বলেন আগামীতে একুশে বই মেলায় একটা কবিতার বই প্রকাশ করার ইচ্ছা আছে তার।তিনি সকল স্তরের পাঠকের ভালোবাসা কামনা করেন। তার সব চেয়ে প্রিয় কবিতা টা তার অনুমতি নিয়ে নিম্নে আমাদের পত্রিকায় প্রকাশ করলাম।

৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷ কবিতা।।।।।।।।

        আজও অপেক্ষায়

            কলমেঃ মন্ডল ডি কে

সেই শরতের কাশফুল গুলাে
ঝরে গেছে বহু আগে
নিরবে কদম নিয়েছে বিদায়
বিরহ অনুরাগে।
বকুল, তারা মালা হয়ে কতাে
ছিলাে যে অপেক্ষায়
মনে ছিলাে আশা কত ভালোবাসা
একটি মালা পরাবে তােমায়।
তারা ও শুকিয়ে গেছে।
সুবাস হয়েছে লীন
শিউলি গুলাের মুখের জ্যোতি
হয়েছে মলিন।
কৃষ্ণচুড়ার শাখায় শাখায়
ফুটে ছিল যে ফুল
ঝরে গেছে তারা তারপর আবার
এসেছে কত মুকুল।
যে নদীর কুলে গড়ে উঠেছিল
নতুন সভ্যতা
সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে
শুন্য হয়েছে তা।
যে নদীর কুলে তুমি আমি মিলে
কবিতা লিখেছি কত
সে কুল আজি অকুল পাথারে
শুধুই ক্রন্দন রত।
তুমি তাে বলেছিলে আসবে ফিরে
ঐ নদীর মােহনায়
আজও আমি সেথা একা বসে আছি
তােমারী অপেক্ষায়।
মুকুল বিশ্বাস,খুলনা জেলা প্রতিনিধি