জামিয়াতুশ শাইখ আব্দুল হক আল ইসলামিয়া মাদ্রাসার নব গঠিত কমিটির আলোচনা সভা

Markazut Tahfiz Internatinal Madrasha

রাজধানীর সাইনবোর্ড এলাকার মারকাজুত তাহফিজ ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসার হল রুমে, হুফফাজুল কুরআন ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে জামিয়াতুশ শাইখ আব্দুল হক আল ইসলামিয়া মাদ্রাসার নব গঠিত কমিটির ১ম আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন জামিয়াতুশ শাইখ আব্দুল হক আল ইসলামিয়া মাদ্রাসার নব গঠিত কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হাফেজ ডঃ এইচ এম এরশাদ উল্লাহ চৌধুরী, সেক্রেটারী- হাফেজ কারী মাওলানা আঃ সেলিম এবং নবগঠিত কমিটির সকল নের্তৃবৃন্দ।

এছাড়াও দেশের বিভিন্ন স্বনাম ধন্য মাদ্রাসার ওলামা মাসায়েখগন ও উক্ত কমিটির বিভাগ ও জেলা পর্যায়ের নের্তৃবৃন্দ।

উক্ত আলোচনা সভায় উপস্থিত সকল বক্তাদের আলোচনায় উঠে আসে- হাজার হাজার শিক্ষার্থীর ভালবাসার প্রিয় শিক্ষক সায়েখ আব্দুল হক সাহেবের ভালবাসার প্রতিদান স্বরুপ সকল শিক্ষার্থী মিলে তার নামে একটি মাদ্রাসা স্থাপন করার চেষ্টা করে যাচ্ছে ২০১৪ সাল থেকে কিন্তু আর্থিক সংকটের কারনে বারবার চেষ্টা করেও সফল হতে পারেনি।

কিন্তু বর্তমান কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হাফেজ ডঃ এইচ এম এরশাদ উল্লাহ চৌধুরী উক্ত বিষয়ে দাওয়াত পাওয়ার পরই প্রিয় শিক্ষকের মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার জন্য ৫ বিঘা জমি দান করেন, যার কারনে উক্ত কমিটি বাকি কাজ বাস্তবায়নের জন্য ২৯ সদস্য বিশিষ্ঠ কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করেন এবং সারা দেশকে ১৪ টি জোনে ভাগ করে বিভাগ ও জেলা পর্যায়ে ৩১৩ সদস্য বিশিষ্ঠ কমিটি গঠন করার উদ্যোগ গ্রহন করেন।

অনুষ্ঠানে সকল বক্তারা সভাপতির এমন দানে, মহান আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করেন এবং সভাপতির প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। সর্বশেষে সভাপতি তাহার আলোচনা কালে বলেন- জামিয়াতুশ শাইখ আব্দুল হক আল ইসলামিয়া মাদ্রাসা হবে বিশ্বের এক নাম্বার মাদ্রাসা গুলির মধ্যে একটি।

এখানে দখ্য আলেম তৈরির কারখানা এবং সর্ববৃহত ইসলামি গবেষনাগার তৈরি করা হবে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে শিক্ষার্থীরা ইসলামের উপরে পিএইচডি করার জন্য জামিয়াতুশ শাইখ আব্দুল হক আল ইসলামিয়া মাদ্রাসায় আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

Markazut Tahfiz Internatinal Madrasha

তিনি আরো বলেন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে যে সব আলেমরা ঢাকায় এসে থাকা খাওয়ার যায়গা পায় না তাদের সকল ব্যবস্থা উক্ত মাদ্রাসার কমিটির মাধ্যমে করা হবে।

সকলে তাদের বক্তব্যে মাদ্রাসার বাকি কাজ সম্পন্ন হওয়ার ব্যাপারে সন্দেহ প্রকাশ করে যে হতাশা প্রকাশ করেন, তাদের উদ্যেশ্যে সভাপতি বলেন আগামী দুই বছরের মধ্যে মাদ্রাসার দৃশ্যমান একটা কাঠামো দাড় করানো হবে ইনশাআল্লাহ।

তবে এ ব্যাপারে তিনি সকল বিত্তশালী শিক্ষার্থীদের এগিয়ে আসার এবং একত্রিত থেকে বর্তমান কমিটিকে সহযোগিতা করার আহবান করে বলেন সকলের সহযোগীতা থাকলে মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করা সময়ের ব্যাপার মাত্র।