ছাত্রীদের সাথে অশালীন অঙ্গভঙ্গি-শ্লীলতাহানি, গ্রেফতার ৭ স্কুলশিক্ষক

indian student

দিনের পর দিন বিভিন্নভাবে হেনস্থার শিকার হচ্ছিলেন নবম-দশম শ্রেণির ছাত্রীরা। কখনও ছাত্রীদের লক্ষ্য করে কটূ মন্তব্য, অশালীন অঙ্গভঙ্গি আবার কখনও পড়া বোঝানোর নামে শারীরিক হেনস্থা।

প্রতিবাদ করলেই পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়ার হুমকি। ভয় আর আতঙ্কে স্কুলের পথ মাড়ানোই বন্ধ করে দিয়েছিলেন ছাত্রীরা। শেষে খবর যায় চাইল্ড লাইনে। চুপিচুপি পুলিশের কাছে গিয়ে অভিযোগ জানিয়ে আসেন দুই ছাত্রী। পুলিশি তৎপরতায় গ্রেফতার করা হয় সরকারি স্কুলের সাত শিক্ষককে।

ঘটনা ভারতের ছত্তীসগড়ের বলোদাবাজার জেলার। পুলিশ জানিয়েছে, মারদা গ্রামের একটি সরকারি স্কুলে এমন নৈরাজ্যের পরিবেশ তৈরি হয়েছিল ঘুণাক্ষরেও টের পাননি কেউ। এমনকি পরিবারকেও কিছু জানাননি ছাত্রীরা।

সব দেখেও মুখে কুলুপ এঁটেছিলেন স্কুল কর্তৃপক্ষ। দেবেন্দ্র খুন্তে (৩৮), রামেশ্বর প্রসাদ সাহু (৩৯), মহেশ কুমার বর্মা (৩৭), দীনেশ কুমার সাহু (৩৮), চরণ দাস বাঘেল (৩৯), রূপনারায়ণ সাহু (৩৬) ও লালরাম বারভানশকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ বাবরি মসজিদের ভূমির মামলার রায়,উত্তরপ্রদেশে থমথমে পরিস্থিতি

স্কুলেরই এক ছাত্রী পুলিশকে জানিয়েছেন, গত বছর জানুয়ারিতে নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রীদের পিকনিকে নিয়ে গিয়েছিলেন এই শিক্ষকরা।

সেখানে তাদের দেখে অশালীন অঙ্গভঙ্গি করেন কয়েকজন। অভিযোগ, দু’জন ছাত্রীকে ডেকে নিয়ে গিয়ে শ্লীলতাহানিও করা হয়। পরে ভয় দেখিয়ে তাদের মুখ বন্ধ করে দেন শিক্ষকরা।

এখানেই শেষ নয়। ছাত্রীদের অভিযোগ, যখন তখন টিচার্স রুমে ডেকে পাঠিয়ে তাদের শারীরিকভাবে হেনস্থা করা হত। শিক্ষক রামেশ্বর প্রসাদ প্রায়ই অশালীন মেসেজ পাঠাতেন ছাত্রীদের।

হুমকি দিতেন পরিবারকে কিছু জানালে পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেবেন। গত বৃহস্পতিবার নবম শ্রেণিরই দু’জন ছাত্রী লুকিয়ে পুলিশের কাছে গিয়ে ওই শিক্ষকদের নামে অভিযোগ জানান। তাদের অভিযোগের ভিত্তিতেই শনিবার সকালে সাতজন শিক্ষককে গ্রেফতার করে পুলিশ। সূত্র : দ্য ওয়াল।

0 Shares
  • 0 Facebook
  • Twitter
  • LinkedIn
  • Mix
  • Email
  • Print
  • Copy Link
  • More Networks
Copy link
Powered by Social Snap