ঘোড়া মাংস খাওয়া ও বিক্রি, তিনজনের কারাদণ্ড

horse meat

দিনাজপুরের বিরলে ঘোড়া জবাই করে মাংস খাওয়া ও বিক্রির ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।

এ ঘটনায় ঘোড়া জবাই ও মাংস বিক্রির দায়ে দুইজনকে ৬ মাস করে কারাদণ্ড ও একজনকে ২৫ হাজার জরিমানা অনাদায়ে এক মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

শুক্রবার রাতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও বিরল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবিএম রওশন কবীর এই রায় ঘোষণা করেন।

এর আগে শুক্রবার সকালে উপজেলার রাণীপুকুর ইউপি’র কাজীপাড়া গ্রামে ঘোড়া জবাই করে মাংস বিক্রির ঘটনা ঘটেছে।

স্থানীয়রা ও পুলিশ জানায়, সকালে বিরলের কাজীপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শফিকুল ইসলাম ও একই গ্রামের আব্দুল কাইয়ুমের নেতৃত্বে প্রায় দুই মাস আগে কেনা একটি ঘোড়া ওই গ্রামে জবাই করা হয়।

এরপর নিজেরা ওই ঘোড়ার মাংস নিয়ে বাকি মাংস ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করে।

এদিকে ঘোড়া জবাইয়ের পর থেকে সাধারণ মানুষের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গেছে।

বিরল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডা. ফজলুর রহমান জানান, বর্হিবিশ্বে ঘোড়ার মাংস মানুষ খায়। ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে কোন বাধা না থাকলে ঘোড়ার মাংস মানুষ দেহের কোন ক্ষতি করবে না।

বিরল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এটিএম গোলাম রসূল বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এলাকাবাসীর মৌখিক অভিযোগের প্রেক্ষিতে ঘটনাস্থল থেকে কাইয়ুম আলীর ছোট ভাই রায়হান আলীকে ২ কেজি ঘোড়ার মাংসসহ আটক করে নিয়ে আসে।

আরও পড়ুনঃ শ্রেণিকক্ষেই অসামাজিক কাজে জড়িয়ে ধরা খেল প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষিকা

পরে ঘোড়া জবাইয়ে নেতৃত্বদানকারী শফিকুল ইসলাম ও একই গ্রামের কাঠ ব্যবসায়ী আব্দুল কাইয়ুম আলীকেও আটক করা হয়।

তিনি আরও জানান, রাতে বিরল উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক এবিএম রওশন কবীর ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে ঘোড়া জবাই ও মাংস বিক্রির দায়ে শফিকুল ইসলাম ও কাইয়ুম আলীকে ৬ মাস করে কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়।

অপর আটক রায়হান আলীকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে একমাসের কারাদণ্ডে আদেশ দেয় ভ্রাম্যমাণ আদালত।

0 Shares
  • 0 Facebook
  • Twitter
  • LinkedIn
  • Mix
  • Email
  • Print
  • Copy Link
  • More Networks
Copy link
Powered by Social Snap