ঘুমিয়ে ছিলেন গেটম্যান ,বাস-ট্রেন সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ১২

Getman was asleep

জয়পুরহাট সদরের পুরানাপৈল রেল গেইট এলাকায় বাস ও ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ১২ জন । শনিবার তখন প্রায় সকাল ৭টা, পার্বতীপুর থেকে ছেড়ে আসা রাজশাহীগামী উত্তরা এক্সপ্রেস চলছিল নিজস্ব গতিতে। জয়পুরহাটের পুরানাপৈল রেলগেটটি ছিল খোলা, গেটম্যান ঘুমিয়ে ছিলেন। ফলে ট্রেন লাইনের ওপর উঠে গেল জয়পুরহাটগামী একটি বাস।

বাসটিকে দুমড়ে-মুচড়ে রেললাইনের উপর দিয়ে প্রায় ৫’শ মিটার দূরে হেঁচড়ে নিয়ে যায় ট্রেনটি। এতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন ১০ জন বাসযাত্রী। আহত হয় আরও বেশকয়েকজন। আহতদের হাসপাতালে নেওয়ার পথে আর দু’জনের মৃত্যু হয়। এতে এখন পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২ জনে।

এদিকে, এ ঘটনায় উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।প্রত্যক্ষদর্শী,পুলিশ ও জয়পুরহাট ফায়ার সার্ভিস সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

দুর্ঘটনার সময় রেলগেটটি খোলা ছিল এবং গেটম্যান ঘুমিয়ে ছিলেন বলে জানিয়েছেন জয়পুরহাটের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. সালাম কবির।জেলা প্রশাসক মো. শরীফুল ইসলাম জানিয়েছেন পুরানাপৈল রেলগেটে গেটম্যান তার দায়িত্ব পালন না করায় মর্মান্তিক এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। তিনি বলেন, নিহতদের মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের দাফন কাজ-সহ সার্বিক খরচ বহন করা হবে বলেও তিনি জানান।

দুর্ঘটনার পর থেকে রেলের পশ্চিমাঞ্চলের সাথে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক করার জন্য উদ্ধারকারী ট্রেন ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। চেষ্টা চলছে দুর্ঘটনা কবলিত বাস ও ট্রেন অপসারণের।

জেলা প্রশাসক ছাড়াও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সালাম কবীর,সদরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিল্টন চন্দ্র রায় ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আরিফুর রহমান রকেট ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

আরও পড়ুনঃ সাম্প্রদায়িক বিষবৃক্ষকে আমরা সমূলে উৎপাটিত করবঃ ওবায়দুল কাদের

জয়পুরহাট ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক খন্দকার ছানাউল হক বলেন, ট্রেনের সাথে সংঘর্ষে ঘটনাস্থল থেকে ১০ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আর ৫ জনকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এদের মধ্যে আরও দু’জন হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা গেছেন।

0 Shares
  • 0 Facebook
  • Twitter
  • LinkedIn
  • Mix
  • Email
  • Print
  • Copy Link
  • More Networks
Copy link
Powered by Social Snap