ক্রসফায়ারে নিহত আলোচিত সেই গণধর্ষণের ৪ অভিযুক্ত! - Metronews24 ক্রসফায়ারে নিহত আলোচিত সেই গণধর্ষণের ৪ অভিযুক্ত! - Metronews24

ক্রসফায়ারে নিহত আলোচিত সেই গণধর্ষণের ৪ অভিযুক্ত!

Four accused in Hyderabad vet rape and murder case killed

হেফাজত থেকে পালাতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হল হায়দরাবাদের পশু চিকিৎসক প্রিয়াঙ্কা রেড্ডিকে গণধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় চার অভিযুক্ত ব্যক্তির।

শুক্রবার সকালে ৪ অভিযুক্তকে নিয়ে ঘটনাস্থল শাদনগর চটনপালি এলাকায় নিয়েছিল পুলিশ। সেখান থেকেই পালানোর চেষ্টা করে তারা। এরপরই গুলি চালায় পুলিশ। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ওই চার অভিযুক্ত ব্যক্তির। ৪ অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম মহম্মদ আলিয়াস আরিফ, জল্লু শিবা, জল্লু নবীন এবং চেন্নাকেসাভুলু।

পুলিশ সূত্রে খবর, ওই চার অভিযুক্ত ব্যক্তি পুলিশের কাছ থেকে সার্ভিস রাইফেল কেড়ে নিয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালাতে শুরু করে। এর পর পুলিশ গুলি চালালে চার অভিযুক্ত ব্যাক্তির মৃত্যু হয়। যদিও  হাইদারাবাদ পুলিশের তরফ থেকে এখনো সরকারিভাবে এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করা হয়নি।

পুলিশ সূত্রে খবর, গত ২৭ নভেম্বর সকালে সামশাবাদ টোলপ্লাজার সামনে স্কুটি রাখেন ওই তরুণী চিকিৎসক। এরপর এক চিকিৎসকের সঙ্গে দেখা করতে যান তিনি। রাত সাড়ে নটা নাগাদ ওই টোলপ্লাজার সামনে আসেন তরুণী চিকিৎসক। তিনি দেখেন, তার স্কুটির চাকা পাংচার হয়ে গিয়েছে।

সেই সময় দু’জন লরিচালক এবং খালাসি তরুণীর কাছে আসে। তার স্কুটির চাকা সারিয়ে দেওয়ার কথা বলে। তাদের কথায় বিশ্বাস করেন তরুণী চিকিৎসক। স্কুটি সারাতে নিয়ে যায় দু’জনে। কিন্তু গ্যারেজ বন্ধ থাকার কথা বলে স্কুটি নিয়ে ফিরে আসে তারা।

সেই সময় বোনের সঙ্গে ফোনে কথা বলছিলেন চিকিৎসক। তিনি শেষবারের মতো বোনকে বলেন তার ভয় লাগছে। তারপর থেকে তরুণী চিকিৎসকের ফোন সুইচড অফ হয়ে যায়।

আরও পড়ুনঃ ট্রাম্পকে নিয়ে বিশ্বনেতাদের ঠাট্টা,ভিডিও ভাইরাল

এরপর তরুণীকে টেনে হিঁচড়ে অন্যত্র নিয়ে চলে যাওয়া হয়। এরপর একে একে চারজন ধর্ষণ করে তাঁকে। ধর্ষণের জেরে মৃত্যু হয় ওই তরুণীর। লরির কেবিনে তুলে নেওয়া হয় তরুণীকে।

পুলিশ সূত্রে খবর, জাতীয় সড়ক দিয়ে লরিতে করে তরুণীর দেহ নিয়ে যাওয়ার পথেও চারজন ধর্ষণ করে তাকে। এরপর নম্বর প্লেট খুলে স্কুটিটিকে ফেলে দেওয়া হয়। জোগাড় করা হয় পেট্রোল।

সাধনগর চেতনপল্লির কাছে ব্রিজের নীচে জ্বালিয়ে দেওয়া হয় তরুণীর দেহ। বৃহস্পতিবার সকালে ওই তরুণীর সম্পূর্ণ অগ্নিদগ্ধ দেহ উদ্ধার করা হয়। একটি গণেশের লকেটের সূত্র ধরেই তার দেহ শনাক্ত করেন পরিজনেরা। এই ঘটনায় চার অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ। আপাতত চোদ্দ দিনের জেল হেফাজতে রয়েছে তারা।

এই ঘটনার দ্রুত নিষ্পত্তি ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট গঠন করা হয়। অভিযুক্তদের হয়ে কেউই মামলা লড়বেন না বলেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সামশাবাদ বার অ্যাসোসিয়েশনের আইনজীবীরা। কিন্তু তারই মধ্যে এই অপ্রত্যাশিত ঘটনা। ঘটনায় গোটা দেশ জুড়েই শোরগোল পড়ে গেছে।