কোহলিকে হটিয়ে রেকর্ডবুকে বাবর আজম

Babar Azam becomes No 1 ODI batsman

ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছিলেন ভারতীয় অধিনায়ক বিরাট কোহলি। বিরাট কোহলিকে সিংহাসনচ্যুত করার পরই রেকর্ডবুকে নাম তুললেন বাবর আজম। সেঞ্চুরিয়নের সুপারস্পোর্ট পার্কে গতকাল বুধবার (১৪ এপ্রিল) দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে তৃতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ঝেড়ো সেঞ্চুরি করে দলকে জেতালেন পাকিস্তানি অধিনায়ক। প্রোটিয়াদের বিরুদ্ধে চার ম্যাচের সিরিজে ২-১ এগিয়ে গেল পাকিস্তান।

দীর্ঘদিন শীর্ষস্থানে থাকা ভারত অধিনায়ককে পিছনে ফেলে বুধবার আইসিসি ওয়ানডে ব়্যাংকিংয়ে এক নম্বরে উঠে আসন বাবর। ২৬ বছর বয়সী পাকিস্তানি এই ব্যাটসম্যান চতুর্থ পাকিস্তানি হিসেবে এই নজির গড়েন। এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ফের রেকর্ড গড়লেন বাবর।

দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে তৃতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ৪৯ বলে সেঞ্চুরি করেন পাকিস্তানি অধিনায়ক। পাকিস্তানিদের মধ্যেই টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এটাই দ্রুততম সেঞ্চুরি। এর আগে পাকিস্তানি ব্যাটসম্যান হিসেবে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে দ্রুততম সেঞ্চুরি ছিল আহমেদ শেহজাদের। ৫৮ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন তিনি।
দ্রুততম সেঞ্চুরিই নয়, আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে পাকিস্তানের মধ্যে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত স্কোরের রেকর্ডও ভাঙেন বাবর। এদিন, ৫৯ বলে ১২২ রানে অপরাজিত থেকে দলকে জেতানোর পাশাপাশি শেহজাদের ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ১১১ রানের রেকর্ড ভাঙেন পাক অধিনায়ক। এতদিন শেহজাদের ১১১ রান ছিল টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে পাকিস্তানিদের মধ্যে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ।

সম্প্রতি স্বপ্নের ফর্মে রয়েছেন বাবর। তার নেতৃত্বে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে দারুণ খেলছে পাকিস্তান। প্রোটিয়াদের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ ২-১ জেতার পর টি-টোয়েন্টি সিরিজে এগিয়ে গেল পাকিস্তান। আগামী শুক্রবার শেষ ম্যাচ হারলেও সিরিজ খোয়াবে না পাকিস্তান।

তৃতীয় ম্যাচে ২০৩ রান তাড়া করে সহজ জয় পায় পাকিস্তান। ক্যাপ্টেন বাবরের দুরন্ত সেঞ্চুরি এবং মোহম্মদ রিজওয়ানের ৪৭ বলে ৭৩ রানের সুবাদে দুই ওভারে বাকি থাকতে ম্যাচ জিতে নেয় পাকিস্তান। বড় রান তাড়া করতে নেমে ওপেনিং জুটিতে বাবর ও রিজওয়ান ১৯৭ রান যোগ করে দলকে জয়ের দোরগোরায় পৌঁছ দেন। ১২২ রানে বাবর আউট হলেও ৭৩ রানে অপরাজিত থাকেন রিজওয়ান।

আইপিএলের জন্য কাগিসো রাবাদা ও আনরিখ নর্টজে ছাড়া প্রোটিয়া বোলিং আক্রমণকে নাস্তানাবুদ করে বাবরের মাস্টারক্লাস ব্যাটিং। পাক অধিনায়কের ইনিংস সাজানো ছিল চারটি ছয় ও ১৫টি বাউন্ডারিতে। আইপিএলের জন্য ছিলেন না প্রোটিয়া অধিনায়ক কুইন্টন ডি কক। তবুও মার্করাম ও মালানের ঝড়ো হাফ-সেঞ্চুরিতে স্কোর বোর্ড বড় রান তুলেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। মার্করাম ৩১ বলে ৬৩ এবং মালান ৪০ বলে ৫৫ রান করেন।