কৃষ্ণচূড়ার রঙে মাতুয়া জবি 

কৃষ্ণচূড়ার রঙে মাতুয়া জবি 

Generic placeholder image
  Ashfak

রক্তে রাঙানো লাল সবুজের পতাকা যেমন বাংলাদেশ পরিচয় স্বরূপ তেমনি পুরান ঢাকার বুকে সবুজ সমারোহের মাঝে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে লাল রঙে ফোটে ওঠা কৃষ্ণচূড়া জগন্নাথকে বর্ণিল করে তোলে।
গ্রীষ্মে প্রচণ্ড উত্তাপে জনজীবন যখন অতিষ্ঠ ঠিক এ সময় কৃষ্ণচূড়ার রঙে ছেয়ে গেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ক্যাম্পাস। ক্যাম্পাসের বিজ্ঞান অনুষদ চত্বর, প্রশাসনিক ভবনের পাশে ডালপালা ছড়ানো বিশাল আকৃতির কৃষ্ণচূড়া গাছগুলো। আর এ গাছগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের সৌন্দর্য বাড়িয়ে দিয়েছে বহুগুণ।

কাগজে-কলমে বসন্ত ঋতুরাজ হলেও মূলত পুষ্প উৎসবের ঋতু গ্রীষ্মকালকেও বলা যায়। এ মৌসুমে গাছে গাছে বাহারি রংয়ের যে উম্মাদনা, তা অন্য ঋতুতে প্রায় অনুপস্থিত। সত্যি, গ্রীষ্মের পুষ্পবীথির রং এতই আবেদনময়ী যে চোখ ফেরানো যায় না। গ্রীষ্মের পুষ্প তালিকায় প্রথম স্থান কৃষ্ণচূডার। ফুলটির রং এতই তীব্র যে অনেক দূর থেকে চোখে পড়ে, হঠাৎ দূর থেকে মনে হবে কৃষ্ণচূড়া শোভিত নির্মল পরিবেশে মাঝে মাঝে মনে হবে কৃষ্ণচূড়া গাছে যেন আগুন লেগেছে।

গ্রীষ্মের সবচেয়ে দৃষ্টিনন্দন এই কৃষ্ণচূড়া ফুলটি আমাদের দেশীয় নয়। কৃষ্ণচূড়া ফুলটির উৎপত্তি পূর্ব আফ্রিকার মাদাগাস্কার। উদ্ভিদ বিজ্ঞানীদের ধারণা, দূর দেশের এ আগুন সুন্দরী গাছটি ভারতীয় উপমহাদেশে এসেছে সাড়ে তিন থেকে চার শ বছর আগে।

কেউ কেউ মনে করেন, সংস্কৃত পুরান মহাভারতের রাধাকৃষ্ণের অমর প্রেমকে জীবন্ত করে রাখতে কোনো লেখক বা উদ্ভিদ বিজ্ঞানী আগুন রাঙা এ ফুলটির নাম দিয়েছে কৃষ্ণচূড়া।

এক টুকরো ক্যাম্পাস জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচয়ের সাথে মিশে গেছে কৃষ্ণচূড়ার শোভায় শোভিত অগ্নিঝড়া রঙের মাতুয়া উল্লাস।
অমৃত রায়, জবি প্রতিনিধি

মন্তব্য করুন হিসাবে:

মন্তব্য করুন (0)