কাউখালীতে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ চেয়ার ভেঙ্গে পড়ে হাসপাতালে প্রধান শিক্ষক

কাউখালীতে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ,চেয়ার ভেঙ্গে পড়ে হাসপাতালে প্রধান শিক্ষক

Generic placeholder image
  Ashfak

 পিরোজপুর জেলার কাউখালীতে উপজেলা রিসোর্স সেন্টারে অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার মধ্যে ঝুঁকি পূর্ন ভবনে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রশিক্ষন কার্যক্রম পরিচালনা চলছে। উপজেলার কুচয়াকাঠী গ্রামে ২০০৭ সালে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের শিক্ষার মানন্নেয়নের জন্য শিক্ষক প্রশিক্ষন নামে উপজেলা রিসোর্স সেন্টার ভবন নির্মাণ করা হয়। নির্মান করার পর এক যুগ পাড় হতেই ভবনটিতে বিভিন্ন স্থান থেকে পলেস্তার খসে পড়ে। ফলে ভবনটি ব্যবহারে অনুপযোগী হয়ে পড়ে।দুই কক্ষের এই ভবনটিতে একটি কক্ষে চলে অফিস কার্যক্রম ও অপরটিতে শিক্ষক প্রশিক্ষন।
এছাড়া শিক্ষকদের প্রশিক্ষন নেওয়ার মতো ভালো আর কোনো কক্ষ নেই। প্রশিক্ষনের ছোট এই কক্ষটিতে ১০-১২ জনের প্রশিক্ষন নেওয়ার মতো জায়গা থাকলেও। কক্ষের অভাবে ৩০ থেকে ৩৫ জন্য শিক্ষকদের এক সাথে গাদাগাদি করে প্রশিক্ষন নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। এছাড়াও প্রশিক্ষন কক্ষের আসবাবপত্র গুলো খুবই নড়বরে ও ঝরাজীর্ন ব্যবহারের অনুপযোগী।ফলে গত মঙ্গলবার প্রশিক্ষন চলা কালে সুবিদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদ্মরানী চেয়ার ভেঙ্গে ফ্লোরে পড়ে গিয়ে গুরত্বর আঘাত পায়। আহত পদ্মরানীকে কাউখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে· ভর্তি করা হয়। অপর দিকে উপজেলা রির্সোস সেন্টারের ইন্সট্রেক্টর মাহফুজা খানম তার বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ করেছে শিক্ষক নেতারা। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি অভিযোগ করে বলেন, উপজেলা রির্সোস সেন্টারের ইন্সট্রেক্টর মাহফুজা খানম নিয়মিত অফিস করেন না এবং শিক্ষকদের সাথে অশোভন আচারন করেন এবং সরকারি বরাদ্দের টাকা সঠিকভাবে ব্যয় না ব্যয় না করে নয় ছয় করার অভিযোগ করেন।তিনি আরো বলেন তার খামখেয়ালীর জন্যই শিক্ষকদের ঝুঁকি নিয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহন করতে হয়। এ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে অনেক শিক্ষক নানা ধরনের মন্তব্য লিখেছেন । এব্যপারে উপজেলা রির্সোস সেন্টারের ইন্সট্রেক্টর (চঃদঃ) মাহফুজা খানম জানান, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সঠিক নয়,ভবন ও অসবাবপত্রের জন্য লিখিত আবেদন করা হয়েছে উর্ধত্বন কর্তপক্ষের কাছে। শিক্ষকদের সাথে কিছু ভুল বোঝাবুঝি আছে, বিভিন্ন সময় প্রশিক্ষন ও অফিসের কাজ থাকায় অফিসে আসা হয় না। 
স্থানীয় ইউপি সদস্য আকবর হোসেন দুলাল বলেন ভবনটি এক বছর আগে সংস্কার করা হয়েছে তবে কাজের মান ভালো না থাকায় ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী মো: ইমতিয়াজ হোসেন বলেন ইউ আর সি ভবনটি নিচু জায়গায় হওয়ায় ওয়াল এবং ফ্লোরে পানি চুষে স্বেত-স্বেতে হয়ে গেছে ।যে কারণে সংস্কার করলেও তেমন লাভ হয় না। যথাযথ কর্তৃপক্ষ নতুন কোন নির্দেশ না দিলে আমরা বাস্তবায়ন করব।
এনামুল হক বিশেষ  প্রতিনিধি

মন্তব্য করুন হিসাবে:

মন্তব্য করুন (0)