এ শীতে ঝটপট তৈরি করুন প্রাণ জুড়ানো ডাবের পুডিং

Coconut pudding

ডাবের পানি সবসময়ই সকলের কাছেই খুব রিফ্রেশিং।শহর বা গ্রামে ডাব খুবই সহজলভ্য। তবে শহরে দাম একটু বেশি হলেও গ্রামে কিন্তু পাওয়া যায় হাতের নাগালে। গ্রামাঞ্চলে প্রায় বাড়িতেই নারিকেল গাছ রয়েছে। তাই সহজেই ডাব সংগ্রহ করা যায়। এই ডাবের রয়েছে নানাবিধ ব্যবহার। ডাবের পানি, শাঁস-সবই মজাদার।

এমনকি ডাবের পানির উপকারিতা অপরিসীম। এতে বিভিন্ন ধরনের ইলেক্ট্রোলাইটস ও খনিজ পদার্থ থাকে, যা শরীরের জন্য অনেক উপকারী। ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে এর জুড়ি নেই। ডাবের এ স্বাস্থ্যকর পানি পান করার পাশাপাশি এটি দিয়ে মজাদার একটি রেসিপি তৈরি করা যায়। আর তা হলো ডাবের পুডিং।

তাই এবার আমরা ডাবের পুডিং বানানোর রেসিপি সম্পর্কে জানবো। কারণ এই শীতে ডাবের পানি তেমন পান না করলেও ডাবের পুডিং কিন্তু লোভ জাগাবে। আসুন জেনে নেই ডাবের পুডিং বানানোর নিয়ম সম্পর্কে-

উপকরণ: ডাবের পুডিং বানানোর আগে ৩ টি জিনিস অবশ্যই সংগ্রহ করতে হবে। তা হলো-

১. একটি বা দুটি ডাবের পানি। তবে চেষ্টা করবেন শাঁসযুক্ত ডাব কিনতে।

২. ২৫ বা ৫০ গ্রাম চায়না গ্রাস। পানির পরিমাণ বেশি হলে চায়না গ্রাসও বেশি লাগবে।

৩. পরিমাণমতো চিনি।

প্রণালি: প্রথমে গরম পানিতে ১০-১৫ মিনিটের মতো চায়না গ্রাস ভিজিয়ে রাখুন। এরপর একটি ডাবের পুরোটা পানি ঢেলে নিন। চুলার জ্বাল বেশি রেখে একটি পাত্রে পানি ফুটতে দিন। এতে পরিমাণমতো চিনি দিয়ে নাড়তে থাকুন।

পানি গরম হয়ে গেলে ভিজিয়ে রাখা চায়না গ্রাসগুলো ছেড়ে দিন। যতক্ষণ পর্যন্ত চায়না গ্রাসগুলো গলে পানির সাথে মিশে না যায়; ততক্ষণ পর্যন্ত নাড়তে থাকুন। এরপর চুলা থেকে নামিয়ে নিন।

Coconut pudding
Coconut pudding

এবার সার্ভিং ডিশে ডাবের শাঁসগুলো ডিজাইন করে কেটে সাজান। তার ওপর চায়না গ্রাসসহ গরম পানি ঢেলে দিন। রুম টেম্পারেচারে আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। দেখবেন, ঠান্ডা হলে পানি ধীরে ধীরে জমতে শুরু করবে। এরপর ১-২ ঘণ্টা নরমাল ফ্রিজে রাখুন।

আরও পড়ুনঃ প্রেসার কুকারেই ঝটপট বানিয়ে ফেলুন রসগোল্লা !

নির্দিষ্ট সময় শেষ হলে পরিবারের সদস্যদের সাথে মজাদার পুডিংটি খেতে পারবেন। শীত ছাড়াও গরমের দিনে পুডিংটি খেতে কিন্তু বেশ সুস্বাদু। তাই দেরি না করে আজই চেষ্টা করে দেখতে পারেন।