এবার নবাব স্যার সলিমুল্লাহর কথিত নাতি গ্রেফতার

Nawab Salimullah Khan

নিজেকে পরিচয় দেন ঢাকার নবাব সলিমুল্লাহ খানের বংশধর খাজা আমানুল্লাহ আসকারীর ছেলে। নবাব বংশের উত্তরাধিকার দাবি করে নামের পাশে যোগ করেছেন নবাব খাজা আলী হাসান আসকারী।

মন্ত্রী, এমপিসহ প্রভাবশালীদের সঙ্গে আছে ছবি। এমন ভুয়া পরিচয় দিয়ে কখনো চাকরি দেওয়া আবার কখনো বিদেশ পাঠানোর কথা বলে হাতিয়ে নেয় কোটি কোটি টাকা।

নবাব সলিমুল্লাহর কথিত নাতি নবাব খাজা আলী হাসান আসকারীসহ এ চক্রের ছয় সদস্যকে গ্রেফতার করে ডিএমপির কাউন্টার টেররিজম ও ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম বিভাগ।

দুবাইয়ে আছে স্বর্ণের কারখানা। সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালের মালিক। এভাবেই পরিচয় দেন নবাব খাজা আলী হাসান আসকারী। মন্ত্রী, এমপি, আমলাসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে কৌশলে ছবি তুলতেন।

পোস্ট করতেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। ধর্মীয় অনুষ্ঠানে দেখা যেত অতিথি হিসেবে। বাদ পড়েনি বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানও। দানবীর হিসেবে নিজেকে উল্লেখ করতেন, কিন্তু আড়ালে চলত প্রতারণা।

ভুক্তভোগীরা জানান, আমার কাছ থেকে ১৭ লাখ টাকা নিয়েছে। তার বাবা নাকি মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালের মালিক।

নিজের পরিবারের সদস্যসহ বেশ কয়েকজনকে নিয়ে একটি চক্র গড়ে তোলেন নবাব খাজা আলী হাসান আসকারী। নিজেকে দাবি করলেন সমাজসেবী হিসেবে।

অভিযুক্ত জানান, এখানে আমার নিজস্ব কোনও লাভ ছিল না। আমি গরিবের বন্ধু, করোনার সময়ে অনেক কাজ করেছি।

আরও পড়ুনঃ থানার হাজতে সরকারি খাবারই খাচ্ছে ইরফানকে, খোঁজ নেয়নি কেউ

ডিএমপির কাউন্টার টেররিজম বিভাগ মাহফুজুল ইসলাম বলেন, এ চক্রের ফাঁদে পড়ে সর্বস্ব হারিয়েছে বহু মানুষ।

এখন পর্যন্ত ৬ জনকে আটক করা হয়। আটকের সময় ওয়াকিটকি সেট, একাধিক মোবাইল ফোন, ৩৫০টি বিদেশ পাঠানোর নামে তৈরি করা মেডিকেল রিপোর্ট উদ্ধার করা হয়।