আহ্ছানিয়া মিশনে নারী মাদকাসক্তি চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে সভা অনুষ্ঠিত - Metronews24 আহ্ছানিয়া মিশনে নারী মাদকাসক্তি চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে সভা অনুষ্ঠিত - Metronews24

আহ্ছানিয়া মিশনে নারী মাদকাসক্তি চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে সভা অনুষ্ঠিত

In the Ahsania Mission

মানসিক সমস্যা ও মাদকনির্ভরশীল নারীদের আত্মহত্যার ঝুঁকি অনেক বেশি থাকে। এ সমস্ত রোগীদের আত্মহত্যা প্রতিরোধে পরিবারের করণীয় নিয়ে আহ্ছানিয়া মিশন নারী মাদকাসক্তি চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কেন্দ্রের উদ্যোগে শনিবার, উক্ত কেন্দ্রে চিকিৎসা নিতে আসা  রোগীদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে পারিবারিক সভার আয়োজন করা হয়।

সভার আলোচ্য বিষয় ছিলো “মানসিক সমস্যা ও মাদকনির্ভরশীল নারীদের আত্মহত্যার ঝুঁকি প্রতিরোধে পরিবারের করণীয়’’।

সভার শুরুতে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন আহ্ছানিয়া মিশন নারী মাদকাসক্তি চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কেন্দ্রের প্রোগ্রাম অফিসার উম্মে জান্নাত। আলোচ্য বিষয়ে সচিত্র উপস্থাপনা করেন  কেন্দ্রের কাউন্সেলর ফাইরুজ জীহান এবং ফারজানা আক্তার সুইটি।

পরবর্তীতে বক্তব্য প্রদান করেন সভার বিশেষজ্ঞ আলোচক  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাউন্সেলিং সাইকোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এবং কনসালটেন্ট (কাউন্সেলিং সাইকোলজি)  মোঃ সেলিম চৌধুরী।

সভায় বিশেষজ্ঞ আলোচক আত্মহত্যার ঝুঁকি প্রতিরোধে পরিবার কিভাবে কার্যকর ভুমিকা পালন করতে পারে সেই বিষয়ে এবং একই সাথে চিকিৎসা পরবর্তীতে ফলোআপ সেবা নেয়ার বিষয়ে গুরুত্ব প্রদান করেন। সভাটি সঞ্চালনা করেন কেস ম্যানেজার মমতাজ খাতূন। সভাটি ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের স্বাস্থ্য সেক্টরের  ট্রেনিং রুমে আয়োজন করা হয়।

 

উল্লেখ্য, বিশ্বে আত্মহত্যার কারণে প্রতি ৪০ সেকেন্ডে ১ জন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটে। এবং প্রতি বছর গড়ে ১০,০০০ হাজার নারী আত্মহত্যা করে। শুধুমাত্র বংলাদেশে প্রতিদিন গড়ে ২৯ জনেরও বেশি মানুষ আত্মহত্যা করে।

আত্মহত্যার ঝুঁকি হ্রাসে কার্যকরি যে ৮টি উপায়ের বিষয়ে উল্লেখ করা হয়েছে এর মাঝে পারিবারিক সামাজিক বন্ধন, সন্তানদের প্রতি ভালোবাসা এবং প্রিয়জনের সান্নিধ্য অন্যতম। তাই মানসিক স্বাস্থ্য উন্নয়নে ও আত্মহত্যা প্রতিরোধে এই বিষয়গুলোর প্রতি বিশেষভাবে গুরুত্ব  দেয়া প্রয়োজন।

Saifuzzaman Revolution

অবশেষে ছেলে সন্তানের বাবা হলেন মেডিকেল

Sex is always in the name of friendship

বহু প্রজাতির "জীব সম্প্রদায়" আছে সে

graphology

পড়েই বুঝে ফেলল আপনার পার্সোনালিটি সম্পর্কে। কি চমকে গেলেন? সে  কিভাবে বুঝলো? ভাবছেন ,সে শার্লক হোমসগোছের কেউ?  নাহ্.. এর জন্য শার্লক হোমস হওয়ার প্রয়োজন নেই। হাতের লেখার মাধ্যমে একজন মানুষের ব্যক্তিত্ব সম্পর্কেঅনেকাংশে ধারণা করা যায়।  হাতের লেখা নিয়ে গবেষণার এই ক্ষেত্রটি  গ্রাফোলজি/ গ্রাফোঅ্যানালাইসিস নামে পরিচিত। এরসাধ্যমে একজন মানুষের হাতের লেখা দিয়ে লেখকের ব্যক্তিত্ব এবং লেখার সময়ে ঐ লেখকের মানসিক অবস্থা সম্পর্কে ধারণাকরা সম্ভব।গ্রাফোলজি হলো বিশ্লেষণমূলক একটা বিষয় সেখানে দেখা হয় লেখার মূহুর্ত পর্যন্ত ব্যক্তির অবস্থাঃ কিভাবে চিন্তাকরে, অনুভব করে এবং আচরণ করে নিজ ও অন্যের সাথে। হাতের লেখা লেখকের  সত্যিকারের পরিচয় বা ব্যক্তিত্ব  ফুটে তুলে।আমরা যা লিখি তা আমাদের সচেতন মন থেকে হয় কিন্তু যেই পদ্ধতিতে বা যেইভাবে  লিখি সেটা আমাদের অচেতন মন এরবিষয় ফুটিয়ে তুলে। গ্রাফোলজির ব্যবহারঃ   নিজেকে বোঝা,একটি জীবন সঙ্গী নির্বাচন  ,শিশুর উন্নয়ন/ বিকাশ,ব্যবসায়িক অংশীদার নির্বাচন করা,কর্মচারী নিয়োগ,ম্যানেজমেন্ট নির্বাচন,কর্পোরেট প্রশিক্ষণ,নথিপরীক্ষা এবং ফরেনসিক বিশ্লেষণ সুরক্ষা যাচাই করা এবং সততা ও নিষ্ঠার মূল্যায়ন।

dog

ছেলের সঙ্গে প্রায়ই ঝগড়া লেগে থাকত।