আব্দুস সালাম স্কুল ম্যানেজিং কমিটিতে নির্বাচিত হলে ধ্বংস হবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান - Metronews24আব্দুস সালাম স্কুল ম্যানেজিং কমিটিতে নির্বাচিত হলে ধ্বংস হবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান - Metronews24

আব্দুস সালাম স্কুল ম্যানেজিং কমিটিতে নির্বাচিত হলে ধ্বংস হবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

আব্দুস সালাম স্কুল ম্যানেজিং কমিটিতে নির্বাচিত হলে ধ্বংস হবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

বরগুনার বামনা উপজেলার রামনা লঞ্চঘাটের নৈশপ্রহরী মো. সুলতান খানকে (৫৫) রামনা গ্রামের আবদুস ছালাম (৪২) নামের এক প্রভাবশালী
এক ব্যক্তি ৮ মে বেধরক মারপিট করলে সে গুরুতর আহত হন।

তাকে চিকিত্সার জন্য মঠবাড়িয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে গত শনিবার চিকিত্সাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। নিহত ওই নৈশপ্রহরীর লাশ ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফন করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৮ মে সকালে রামনা লঞ্চঘাটের বাজারের আঃ ছালামের ঘরের সম্মুখে নৈশপ্রহরী সুলতানের সাথে তার স্ত্রী রানী বেগমের কথাকাটাকাটি হয়। এ সময় আনসার আলীর পুত্র ছালাম এসে ওই নৈশপ্রহরীকে মারপিট করেন।

এতে তার পা ভেঙে গুরুতর আহত হন। স্থানীয় লোকজন তাতৎক্ষণিক বামনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বরিশাল মেডিক্যাল কলেজে পাঠায়।

বরিশালে কিছুদিন চিকিত্সা নেয়ার পর আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে তিনি বাড়িতে ফিরে যান। ফের অসুস্থ হয়ে পড়লে গত শুক্রবার পরিবারের লোকজন তাকে মঠবাড়িয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

সেখানে চিকিত্সাধীন অবস্থায় শনিবার তিনি মারা যান। নিহত নৈশপ্রহরীকে ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফন করা হয়েছে। এ ব্যাপারে বামনা থার অফিসার ইনচার্জ মো. শাহাবুদ্দিন জানান, খবর পেয়ে তিনি এসআই খোকনকে ঘটনাস্থলে পাঠান।

তিনি পৌঁছানোর পূর্বেই লাশ দাফন করা হয়। পরিবারের লোকজন হাপানী রোগে তার মৃত্যু হয়েছে—এই মর্মে একটি মৃত্যু সনদ থানায় জমা দিয়েছেন।

আসছে ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ইং তারিখ বরগুনা জেলার বামনা উপজেলার রামনা শের-ই বাংলা সমবায় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

উক্ত নির্বাচনে ম্যানেজিং কমিটির সদস্য পদে লড়ছেন রামনা গ্রামের প্রভাবশালী অপরাধী আব্দুস সালাম। যার বিরুদ্ধে রয়েছে অসংখ্য অপরাধের ফিরিস্তী রেকর্ড।

একাধারে যিনি একজন চড়া সুদের ব্যবসায়ী যা কিনা নিজের গর্ভধারিনী মায়ের সাথে যেনা করার সমতুল্য। শিক্ষার্থী অভিভাবক সহ জন সাধারণের একটাই প্রশ্ন এমন একজন ব্যক্তি একটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ।

ম্যানেজিং কমিটিতে কিভাবে সদস্যপদে অন্তর্ভুক্ত হবেন আমাদের জানা নেই। মানুষ তাকে কেন ভোট দিবে যার বিরুদ্ধে গত কিছুদিন আগে রামনা শের-ই- বাংলা সমবায় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের তিনটা মেয়েকে জিম্মি করে একত্রে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠে আসছে যা কিনা বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে ।

সেখানে সালাম নামের ঐ সুধি ব্যক্তি ধর্ষকদের বিচার না করে এলাকার বাইরে পালিয়ে যাওযার নির্দেশ দেন বলে প্রমান রয়েছে। তাহলে সে ঐ স্কুলের গর্ভনিংবডির কিভাবে সদস্য হবেন আমাদের জানা নাই স্থানিয়দের অভিমত।

সে একজন চরা সুধ ব্যবসায়ী কিভাবে হবেন একটা শিক্ষা প্রিতিষ্ঠানের গভর্নিংবডির সদস্য। ১/ কৃষ্ণ নামের এক লোকের কাছে লাগনো আছে ১,লক্ষ টাকা।

গত কয়েক দিন আগে স্কুল গভাংনি নির্বাচনের ভোট চাইতে গেলে কৃষ্ণনর বাড়ি কৃষ্ণকে ভয় দেখানো হয়ে তাকে ভোট না দিলে সুধের টাকা দিগুন দিতে হবে এছারও তার নামে সুধের ভুক্তভোগী দের একাদিক অভিযোগ রয়েছে ২/ দীপঙ্কর নামের এক ব্যক্তি সুদের টাকা সময়মত না দেওয়ার কারণে তাকে মারধর করা হয় এবং তার সেলুন বন্ধ করে দেওয়া হয়।

সুধের টাকা দিগুণ হবার কারনে তার এখন পালিয়ে জিবন যাপন করতে হয়ে ৩/ জসিম নামের এক লোক তার কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা নেয় একলগে তিন মাস পরে দেবে তাকে বিশ( ২০) হাজার টাকা সুধ দিতে হবে, বেশি দিতে হবে।

কাজল পাইক ১ লাখে ২০ হাজার টাকা মোফাজ্জেল ১লাখে ২০ হাজার টাকা এছারও আরো অনেকই টাকনিয়েছে তার কাজ থরকে চরাসুধে অনেকই মূখ খলছেননা তার বয়ে।

১২/১৪ লক্ষ্য টাকা সুধে লাগাসো রয়েছে তার স্থানীয় জেলেদের অভিযোগ তার কাছ থেকে চরা সুধে টাকা এনে আমার নৌকা এবং জাল কিনেছি কিন্তু আমাদের মাছ তার আরদে দিতে হয়ে তবে আমাদের দেয়না ন্যয্য মুল্য।

এবং সময় মতো টাকা না দিতে পারেলে আমাদের উপার নেমে আসে অমানুশিক নির্যাতন কারন আমাদের কাছ থেকে নেওয়া হয়েছে সাদা স্টাম্প।

ভুক্তভোগী সহ ঐ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী-শিক্ষক, অভিভাবক সহ এলাকাবাসীর দাবী এমন জঘন্যতম একজন ব্যক্তিকে যেন কোনভাবেই নির্বাচিত না করা হয়।

Facebook Comments
0