হঠাৎ বেড়েছে পেঁয়াজের ঝাঁজ!

শীতের সবজি বাজারে এলেও রাজধানীতে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে সব ধরনের কাঁচাসবজি। এদিকে আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ। দেশি পেঁয়াজ প্রতি কেজি ৯০-১০০ টাকা। ভারতীয় পেঁয়াজও বিক্রি হচ্ছে ৮০-৮৫ টাকায়। যেখানে গত বছর এ সময়ে প্রতিকেজি পেঁয়াজের দাম ছিল ৩৫-৪০ টাকা।

বুধবার রাজধানীর মতিঝিল, মুগদা, খিলগাঁও মালিবাগ কাঁচাবাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

দাম বেশির কারণ জানতে চাইলে বরাবরের মত খুচরা ব্যবসায়ীদের একই অজুহাত। পাইকারি বাজারে দাম বেশির হওয়ায় খুচরায় মূল্য বেড়েছে। ক্রেতাদের অভিযোগ বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের কোনো ব্যবস্থা না থাকায় ইচ্ছা মত মুনাফা লুটছেন ব্যবসায়ীরা।

দাম বাড়ার কারণ হিসেবে মুগদার পেঁয়াজ ব্যবসায়ী বলেন, দুই মাস আগেও ভারত থেকে প্রতিটন পেঁয়াজের আমদানি মূল্য ছিল আড়াইশ’ ডলারের মতো।

দফায় দফায় বেড়ে তা গত সপ্তাহে ৮৫০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। পেঁয়াজের আমদানি মূল্য বেড়ে যাওয়ার কারণে দেশের বাজারেও আমদানি করা পেঁয়াজের দাম বেড়েছে।

তিনি আরও বলেন, মজুদ পেঁয়াজ প্রায় শেষের পথে। নতুন পেঁয়াজও বাজারে আসতে দেরি হচ্ছে। কিছু দিন আগে টানা বৃষ্টি হয়েছে, এতেও অনেক ক্ষেত নষ্ট হয়েছে। ফলে বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ কমে গেছে। যে কারণে দাম বেড়েছে।

এদিকে প্রতিকেজি টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১৩০-১৪০ টাকা আর কাঁচা টমেটো ৩০- ৪০ টাকা। গাজর ৫০ টাকা, লেবু প্রতি হালি প্রকার বেধে ২০-৩০ টাকা। প্রতিকেজি শসা বিক্রি হচ্ছে ৩৬-৪০ টাকা। আর নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ১২০-১৩০ টাকায়।

এছাড়াও প্রতিকেজি নতুন আলু ৩০-৪০ টাকা, পুরনো আলু ২২-২৫ টাকা, শিম ৪০-৬০ টাক, মুলা ২০-২৪ টাকা, শালগম ৩০-৪০ টাকা, ঢেঁড়স ৫৫-৬০ টাকা, বেগুন ৩০-৪০ টাকা। প্রতি পিস লাউয়ের দাম ৪০-৫০ টাকা, ফুলকপি, বাঁধাকপি আকার বেধে ২৫-৩৫ টাকা।

লাল শাক ও সবুজ শাক প্রতিআটি ৫-১০ টাকা, পুঁইশাক ২০-২৫ টাকা, মুলা শাক ৫ টাকা, পালন শাক ১০-১৫ টাকা আটি বিক্রি হচ্ছে।

নামাজের সময়সুচী

ফজর ভোর 00:00 মিনিট
যোহর বেলা 00:00 মিনিট
আছর বিকেল 00:00 মিনিট
মাগরীব সন্ধ্যা 00:00 মিনিট
এশা রাত 00:00 মিনিট
সেহরী ভোর 0:00
ইফতার সন্ধ্যা 0.00

আর্কাইভ

নির্বাচিত সংবাদ