সুরে বিরক্ত নয় মুগ্ধ হতে শিখুন সনু

গাজী আবদুল্লাহ আল মাহমুদ

আজানের সুরেই পৃথিবী জুড়ে আলোর বার্তা নিয়ে সকাল আসে। সকাল সময়ের পিঠে চড়ে দিবস হয়। দিবস দুপুর গড়িয়ে সমাপ্তির দিকে এগুতে থাকে নিয়ম করে। আবার সেই আজানের সুরেই মায়া মাখা সন্ধ্যে আমাদের ক্লান্তির কোলে তুলে দেয়। দিন রজনিতে পাঁচটি বার অমিয় বাণীর ঐশি সুরের মুর্ছনায় বিমোহিত হয় সৃষ্টকুল।

মুগ্ধতা ছড়িয়ে আজান প্রায় দেড় হাজার বছর দুনিয়াতে প্রভূর সুরের প্রতিনিধিত্ব করছে। সুরের পূজারীরা বলেন, আজান পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ সুর। শুধু আজানের সুরে মুগ্ধ হয়ে কত মানুষ যে ইসলাম ধর্ম গ্রহন করেছে তার যথার্থ হিসেব আমাদের হয়তো নেই। আইরিশ অভিনেতা লিয়াম নিসন তুরস্কে অভিনয় করতে গিয়ে আজানের সুর বাণী শুনে ইসলাম গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছিলেন।

সেই আজান নিয়ে ভারতের গায়ক সনু নিগাম টুইটারে লেখেন, প্রতিদিন ভোরে আজানের ‘কর্কশ’ শব্দের কারণে ঘুম ভেঙে যায় । এজন্য আমি বিরক্ত। সুরের মানুষের সুরের প্রতি এমন বিদ্বেষ মেনে নিতে পারে নাই কোন সুস্থ মানুষ। তাই চলছে তুমুল বিতর্ক। ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকলে করছেন প্রতিবাদ। সনু এখানে শুধু আজানকে তিরস্কার করে খ্যান্ত হয় নাই।টেনে এনেছেন মুহাম্মদ (সা:) কে। দেখিয়েছেন অসাড় যুক্তি। যুক্তিতে মুক্তি মেলে নাই একসময়ের জনপ্রিয় এই শিল্পীর।

তার যুক্তি ছিল, মোহাম্মদের সময় তো বিদ্যুৎ ছিল না। এখন মাইক্রোফোনে আজানের সুর অনেক কর্কশ। সনু তার টুইটে আজানের ধ্বনিকে ‘জোর করে চাপিয়ে দেওয়া’ বলে উল্লেখ করেছেন।

হযরত বেলালের কন্ঠের আজান পনের'শ বছর পরে আজও বিশ্ব জুড়ে অধিক জনপ্রিয়। হয়তো সনু মানতে পারেন নাই সুরের এমন জনপ্রিয়তা। তাই হিংসার আগুনে পুড়ে আজানের বিরুদ্ধে এমন বিষবাস্প ছড়াতে অপচেষ্টা করেছেন। অথচ আজানের জনপ্রিয়তা হতে পারতো তার সুর সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ উপমা। চেষ্টা করতে পারতেন আজানের মত একটি সুর তৈরি করতে।

যে সুর শতাব্দী থেকে শতাব্দী মানুষের হৃদয়ে শান্তি দিতে সক্ষমতা লাভ করে। সনু আজানের বিরোধিতা আপনাকে পুর্বের অবস্থান পুনরুদ্ধারের কোন সহযোগীতা করবে না। বরং আপনাকে ঘৃণার অতল সাগরে ভাসিয়ে দেবে। কুলকিনারা খুজে পাবেন না শিল্পের।

নামাজের সময়সুচী

ফজর ভোর 00:00 মিনিট
যোহর বেলা 00:00 মিনিট
আছর বিকেল 00:00 মিনিট
মাগরীব সন্ধ্যা 00:00 মিনিট
এশা রাত 00:00 মিনিট
সেহরী ভোর 0:00
ইফতার সন্ধ্যা 0.00

আর্কাইভ

নির্বাচিত সংবাদ